রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
samakal: অক্টোবর ০১, ২০১৩
Largest and fastest growing business Portals
রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
samakal: অক্টোবর ০১, ২০১৩
শেয়ারবাজারে লেনদেন কমছেই। সোমবার দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) মিলে ২৯৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৭১ কোটি টাকা এবং সিএসইতে ২৪ কোটি টাকা। ডিএসইর এ লেনদেন গত দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিু। এর আগে গত ১২ আগস্ট ডিএসইতে ১৬২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এছাড়া উভয় শেয়ারবাজারেই সোমবার মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন কমেছে। এরমধ্যে ডিএসইর সূচক কমেছে ৩১ পয়েন্ট এবং সিএসইর সূচক কমেছে ৫৬ পয়েন্ট। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে তারল্য প্রবাহ কমছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে- সূচকের নিুমুখী প্রবণতা দিয়ে সোমবার ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। আর দিনের শেষ সময় পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। দিনশেষে সোমবার ২৮৯টি প্রতিষ্ঠানের ৬ কোটি ৯৬ লাখ ২৪ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৬০ কোটি ১৭ লাখ টাকা কম। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ২১৫টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১ দশমিক ১০ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৩৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৪০ দশমিক ৫২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে দুই লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। খাতভিত্তিক বিবেচনায় সোমবার জীবন বীমার শেয়ারের দাম ২ দশমিক ১৮ শতাংশ কমেছে। এছাড়া সাধারণ বীমার শেয়ারের দাম কমেছে ২ দশমিক ১০ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং প্রকৌশল খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্য ও সমজাতীয় খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং টেলিকম খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৩০ শতাংশ। শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট রয়েছে। ফলে তারা নতুন করে বিনিয়োগ করছেন না। এছাড়া কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বাজার থেকে টাকা তুলছেন। ফলে বাজারে কিছু তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার ২১৩টি প্রতিষ্ঠানের ৭৪ লাখ ৯ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২৪ কোটি ৯ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৬ কোটি টাকা কম। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৬৬টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৬ দশমিক ৪১ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৬৭৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে কমে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
শীর্ষ দশ কোম্পানি : সোমবার ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- স্কয়ার ফার্মা ২০ কোটি ৬১ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা, আরগন ডেনিমস ১০ কোটি ২ লাখ টাকা, সিএমসি কামাল ৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা, গ্রামীণফোন ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, আরএন স্পিনিং ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, পদ্মা অয়েল ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে সোমবার যে সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- রহিমা ফুড, এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড ১, ফাইন ফুডস, লিগেসি ফুটওয়্যার, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, তাক্কাফুল ইন্স্যুরেন্স, এনএলআই প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, এফবিএফ আইএফ এবং এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড। অন্যদিকে যে সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি কমেছে সেগুলো হল- মডার্ন ডায়িং, আইএসএন লিমিটেড, জুট স্পিনার্স, দেশ গার্মেন্টস, মুন্নু স্টাফলার, ইনটেক অনলাইন, এপেক্স স্পিনিং, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স এবং পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।
যুগান্তর: ০১ অক্টোবর, ২০১৩
নতুন নোট ২ অক্টোবর থেকে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সব অফিসের কাউন্টার থেকে জনসাধারণের মাঝে নতুন নোট বিনিময় করা হবে।
এ ছাড়া ঢাকা শহরের বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্দিষ্ট কয়েকটি শাখা থেকেও ওই সময়ে বিশেষ ব্যবস্থায় নতুন নোট বিনিময় করা হবে।
ব্যাংকগুলো হলো অগ্রণী ব্যাংক প্রেসক্লাব শাখা; সোনালী ব্যাংক রমনা শাখা; জনতা ব্যাংক নিউমার্কেট শাখা; অগ্রণী ব্যাংক এলিফ্যান্ট রোড শাখা; পূবালী ব্যাংক সদরঘাট শাখা; সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক বসুন্ধরা সিটি মার্কেট শাখা; জনতা ব্যাংক বঙ্গবন্ধু এভিনিউ শাখা; ডাচ্-বাংলা ব্যাংক গুলশান শাখা; সাউথইস্ট ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখা; প্রাইম ব্যাংক মালিবাগ ও মিরপুর-১ শাখা এবং ন্যাশনাল ব্যাংক যাত্রাবাড়ী শাখা। বিজ্ঞপ্তি।
prothom-alo: অক্টোবর ০১, ২০১৩
চলতি বছরে দেশের মোট চাহিদার চেয়ে বেশি লবন উত্পাদন হয়েছে। কিন্তু তার পরও বিদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে লবন আমদানি হচ্ছে। এমনকি দেশিয় বাজারের চেয়ে বেশি দামে লবন আমদানি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিকেজি কাঁচা লবণ আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে তিন টাকা লেগেছে। আর এর সঙ্গে জাহাজীকরণ ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক খরচ মিলিয়ে তা কেজি প্রতি সাড়ে তিন টাকা হয়ে যাবে। অন্যদিকে একই মানের লবণ দেশ থেকে কিনলে তা আড়াই টাকায় পাওয়া সম্ভব ছিল।
জানা গেছে, গতমাসের পাঁচ তারিখে কাঁচা লবণ আমদানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় সরকার। এরপর (২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) দুই লাখ ৬১ হাজার মেট্রিক টন কাঁচা লবণ আমদানির জন্য ৭২ লাখ ৪২ হাজার মার্কিন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিকেজি লবণের দাম পড়েছে প্রায় তিন টাকা। লবণ চাষিরা বলছেন, জমির খাজনা, পলিথিনের ব্যয় ও শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করার পর প্রতিমণ লবণের খরচ পড়ে ৯০ টাকা। মিল মালিকরা মণপ্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত দর দিয়ে থাকে। এতে প্রতিকেজি লবণের দাম পড়ে সর্বোচ্চ আড়াই টাকা। অন্যদিকে চলতি বছরে আট লাখ মেট্রিক টন কাঁচা লবণ উত্পাদন করা হয়েছে, যেখানে বছরে চাহিদা থাকে ৭ লাখ মেট্রিক টনের মতো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, ইসলামী ব্যাংক ৮০ হাজার, এনসিসি ব্যাংক ৩০ হাজার, সাউথইস্ট ব্যাংক ২৫ হাজার, কমার্শিয়াল ব্যাংক সিলন ৬ হাজার, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার, মার্কেন্টাইল ২০ হাজার, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক এক হাজার, অগ্রণী ৪ হাজার, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১০ হাজার, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১৫ হাজার, এক্সিম ব্যাংক ২০ হাজার, পূবালী ব্যাংক ১০ হাজার এবং ইউসিবিএল ৩০ হাজার মেট্রিক টন কাঁচা লবণ আমদানিতে ঋণপত্র খুলেছে।
ইত্তেফাক: 30 সেপ্টেম্বর, ২০১৩
লোকসান ঠেকাতে বহুমুখী হচ্ছে ব্যাংকের ব্যবসা
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগের পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম সেবা, অনলাইন ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন পণ্যের প্রসার করছে ব্যাংকগুলো।
এক সময় শুধু বড় শিল্পেই ঋণ দিতে আগ্রহ দেখাত ব্যাংকগুলো। গ্রামে শাখা খুলতেও তেমন আগ্রহ ছিল না তাদের।
samakal: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
dailynayadiganta: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩
ফন্দি-ফিকির করে ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধের খবর নেই, উল্টো সরকারের কাছে আরও অর্থ চেয়ে একের পর এক আবেদন করে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুণ্ঠনের দায়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী হল-মার্ক। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে হল-মার্ক গত ছয় মাসে একই দাবিতে অন্তত তিন দফা আবেদন করেছে।
যে ব্যাংক থেকে দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে গেছে হল-মার্ক, এমনকি সেই সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষও হল-মার্ককে আরও অর্থ দেওয়ার পক্ষে। কেন দেওয়া দরকার, সেই যুক্তি তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে শিগগিরই সোনালী ব্যাংক একটি চিঠি দেবে বলেও জানা গেছে।
হল-মার্কের তিন আবেদনের মধ্যে দুইটি অর্থমন্ত্রীর কাছে এসেছে হল-মার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামে। আরেকটি আবেদন করেছেন হল-মার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
যোগাযোগ করলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘কর্মসংস্থানের স্বার্থে কারখানা চালুর জন্য আরও অর্থ চেয়ে হল-মার্কের পক্ষ থেকে কয়েকটি আবেদন এসেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো উপায় বের করা যায়নি।’
মূলত গত ২৭ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী ‘হল-মার্কের কারখানাগুলো চালু করতে এদের আরও ঋণের দরকার’—এমন বক্তব্য দেওয়ার পর থেকেই হল-মার্ক আরও অর্থ চেয়ে অর্থমন্ত্রীরই শরণাপন্ন হচ্ছে।
জানা গেছে, হল-মার্কের সব আবেদনেরই ভাষা প্রায় একই রকম। এতে বলা হচ্ছে, হল-মার্ক গ্রুপের বিভিন্ন কারখানা চালু করার জন্য তাদের আরও অর্থ দরকার। আর তা দরকার মূলত ৪০ হাজার সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকার জন্য। কারখানাগুলো চালু করা গেলে টাকা পরিশোধ তাদের জন্য কঠিন হবে না বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।
হল-মার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর স্বামী তানভীর মাহমুদ, ব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল), তাঁর ভাই তুষার আহমেদ এবং কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ব্যাংক-কর্মকর্তাসহ মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। তবে, দুদক সম্প্রতি গঠিত অভিযোগপত্রে ২৫ জনকে দায়ী করে, যাঁদের মধ্যে একজনও সরকারের নিয়োগ করা সোনালী ব্যাংকের পর্ষদ সদস্য নেই।
যদিও গভর্নর আতিউর রহমান গত বছর এ কেলেঙ্কারির জন্য সোনালী ব্যাংকের পর্ষদ সদস্যরাও দায় এড়াতে পারেন না বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনসংবলিত একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন।
জেসমিন ইসলামসহ মামলার কয়েকজন আসামি জেলে থাকা অবস্থায় গত ৪ আগস্ট জেসমিন ইসলামকে মাসে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধের শর্তে জামিন দেন ঢাকার দায়রা জজ জহুরুল হক। তবে, ওই আদেশের বিরুদ্ধে জেসমিন ইসলামের জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করে দুদক।
পরে জামিন কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। তার পর থেকে অর্থ পরিশোধ করা তো দূরের কথা, জেসমিন ইসলামই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
হল-মার্ক গ্রুপের ৪৮ কারখানার মধ্যে বর্তমানে চালু রয়েছে ২০টি। এগুলো সাব-কন্ট্রাক্টে চলছে বলে জানা গেছে।
সোনালী ব্যাংক সূত্র জানায়, কেলেঙ্কারির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর হল-মার্কের কাছ থেকে মোট ৪১০ কোটি টাকা দায়কমাতে পেরেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
সূত্রমতে, হল-মার্কের দায়দেনার পরিমাণ এখনো দুই হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে, দায়দেনার বিপরীতে সহায়ক জামানত হিসেবে সাভারের নন্দখালী, কালামপুর, বারবাড়িয়া ও চারিপাড়া মৌজায় প্রায় দুই হাজার ৫০০ শতাংশ জমি বন্ধক রয়েছে। তবে এসব জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে খোদ সোনালী ব্যাংকেরই কাছে।
জানা গেছে, হল-মার্কের মোট জমি থেকে জেসমিন ইসলামের নিজের নামের জমি মাত্র ১২২ শতাংশ। এ থেকে রাজধানীর কাফরুল ও সাভারের কিছু জমি ছেলে কলেজপড়ুয়া ইরফান ইসলামের নামে তিনি হেবা (দান) করে দিয়েছেন।
গত এপ্রিলে হল-মার্কের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছিলেন ব্যাংকের এমডি প্রদীপ কুমার দত্ত। এতে দায়দেনা নিয়মিত করে হল-মার্কের সঙ্গে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুরও সুপারিশ করা হয়েছিল।
সোনালী ব্যাংকের এমডি প্রদীপ কুমার দত্ত হল-মার্ক থেকে টাকা আদায়ের জন্য এ সুপারিশ করা হয়েছিল বলে প্রথম আলোকে জানান। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে টাকা আদায়ের ব্যাপারে করণীয় জানতে চেয়ে একটি চিঠি এসেছিল। শিগগির আমরা এর জবাব দিচ্ছি।’
অর্থমন্ত্রী এর আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, হল-মার্কের বিভিন্ন ব্যবসা আছে, যেগুলো চালু হওয়া প্রয়োজন। হল-মার্ক যে টাকা নিয়ে গেছে, তা জনগণের টাকা। এ টাকা উদ্ধার করতে হবে। উদ্ধারের জন্য দরকার কারখানা চালু। আর সে জন্যই ওদের দরকার আরও ঋণ।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতের এখতিয়ারাধীন বলে মন্ত্রণালয়ের দিক থেকে প্রকৃতপক্ষে তেমন কিছু করার নেই।
prothom-alo: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৩
dailynayadiganta: 29 সেপ্টেম্বর ২০১৩,
পোশাকশিল্পে নৈরাজ্য ঠেকাতে পাঁচ ঘোষণা
টানা আট দিন শ্রমিক বিক্ষোভের পর অবশেষে গতকাল শনিবার বিজিএমইএর নেতারা পোশাকশ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। পরে পোশাকশিল্পের বর্তমান নৈরাজ্য ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার যৌথ ঘোষণা দেয় উভয় পক্ষ।
এদিকে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক শ্রমিকনেতা বর্তমান শ্রমিক-অসন্তোষকে উসকে দেওয়ার জন্য নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে দায়ী করে বক্তব্য দেন। এ সময় নৌমন্ত্রীর পক্ষের কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এর প্রতিবাদ করেন। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)র কার্যালয়ের সভাকক্ষে গতকাল বেলা সাড়ে তিনটায় বৈঠকটি শুরু হয়। সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি আতিকুল ইসলাম। এতে ৪০টির মতো শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে যৌথ ঘোষণা পড়ে শোনান আতিকুল ইসলাম। এতে যত দ্রুত সম্ভব নিম্নতম মজুরি বোর্ডকে নতুন মজুরিকাঠামো ঘোষণার অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে ওই মজুরিকাঠামো ঘোষণার পর পরই তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে বিজিএমই। এ ছাড়া আগামী ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য কারখানার মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বাকি তিন ঘোষণা হচ্ছে—দেশের ৭৯ শতাংশ রপ্তানি আয় অর্জনকারী পোশাকশিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন মালিক ও শ্রমিকনেতারা। বহিরাগত ব্যক্তিদের গুজবে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার বিরুদ্ধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করবেন তাঁরা। এ ছাড়া নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বৈঠকে সম্মিলিত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার, নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি ও জাতীয় গার্মেন্ট শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. বাহারানে সুলতান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বর্তমান সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম, রিয়াজ-বিন-মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে সভা শুরুর আধা ঘণ্টা পরই সভাকক্ষের বাইরে থেকে হট্টগোলের শব্দ শোনা যায়। নৌমন্ত্রীর পক্ষের দু-তিনজন শ্রমিকনেতা এ সময় উচ্চস্বরে কথা বলতে বলতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় তাঁরা সভা বয়কটের হুমকি দিলেও বিজিএমইএর নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ প্রসঙ্গে বৈঠক শেষে এক শ্রমিকনেতা বলেন, আনুষ্ঠানিক সভা শুরুর আগেই উভয় পক্ষের শ্রমিকনেতাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সভা শুরুর পর তা ব্যাপক আকার নেয়। মূলত শ্রমিক অসন্তোষের জন্য শ্রমিকনেতাদের একটি পক্ষ শাজাহান খানকে দায়ী করলে সভায় হট্টগোল হয়।
নাজমা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কীভাবে শান্ত করা যায়, সেসব নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। মজুরি নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তবে মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে বিজিএমইএর নেতারা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।
prothom-alo: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৩
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু
পরীক্ষামূলকভাবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।
প্রথমবারের মতো ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে।
সমকাল: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ ১১:১৪:৪৪