Business Blog

Displaying 11-20 of 60 results.

বিগত ১৪ বছরের আয়করের হার (ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে)

Assessment
Year
1st Slab
(Income Tax Rates)
2nd  Slab
(Income Tax Rates)
3rd  Slab
(Income Tax Rates)
4th Slab
(Income Tax Rates)
5th Slab
(Income Tax Rates)
Minimum Tax
2003-2004 On the first taka
90,000 of total
income-Nil
On the next taka
1,50,000 of total
income-(10%)
On the next taka
1,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,200
2004-2005 On the first taka
1,00,000 of total
 income-Nil
On the next taka
2,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,500
2005-2006 On the first taka
1,00,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,500
2006-2007 On the first taka
1,20,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,50,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,800
2007-2008 On the first taka
1,50,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2008-2009

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>70 of man,
women and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.1,80,000

 

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2009-2010

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
1,80,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,00,000

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2010-2011

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
1,80,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,00,000

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2011-2012

On the first taka
1,80,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,50,000

On the next taka
3,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2012-2013

On the first taka
2,00,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,25,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,75,000

On the next taka
3,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)

Tk.. 3,000/-

 

2013-2014 On the first taka
2,20,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,75,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,50,000
On the next taka
3,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000of total
income-( 15%)
On the next taka
3,00,000of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)

Tk.. 3,000/- For
City Corporatins
areas

2,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

1,000/- For
Other areas

2014-2015

On the first taka
2,20,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,50,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,00,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
3,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 3,000/- For
City Corporatins
areas

2,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

1,000/- For
Other areas

2015-2016

On the first taka
2,50,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
3,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,75,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
4,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
6,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 5,000/- For
City Corporatins
areas

4,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

3,000/- For
Other areas

2016-2017

On the first taka
2,50,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
3,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,75,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
4,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
6,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 5,000/- For
City Corporatins
areas

4,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

3,000/- For
Other areas

 

Savings Instrument এর বিপরীতে প্রাপ্ত সুদ রিটার্নে প্রদর্শন সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
রাজস্ব ভবন, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০।
[কর নীতি শাখা]

নথি নং- ০৮.০১.০০০০.০৩০.০৭.০০৮.২১৫/১৩১                  তারিখ:  ৩০ ভাদ্র ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ খ্রিঃ

 

বিষয়ঃ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত savings instruments এর বিপরীতে প্রাপ্ত সুদ আয় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন সংক্রান্ত।

অর্থ আইন, ২০১৫ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর 82C ধারায় পরিবর্তন এনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত যে কোন savings instruments এর সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য করার বিধান করা হয়েছে। savings instruments এর সুদ আয় সুনির্দিষ্ট ও প্রামাণিক দলিলাদি দ্বারা সমর্থিত। এরূপ সুদ আয় আয়কর রিটার্নে কিভাবে প্রদর্শিত হবে সে বিষয়ে বিভিন্ন মহলের জিজ্ঞাসা রয়েছে মর্মে অবহিত হওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ মর্মে স্পষ্টীকরণ করেছে যে, বর্ণিত savings instruments এর উপর প্রাপ্ত গ্রস সুদ আয়কর রিটার্নের আয়ের বিবরণী অংশে নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ অংশে প্রদর্শন করতে হবে, যা মোট আয় নিরূপণে অন্তর্ভূক্ত হবে। যেহেতু এরূপ সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর উক্ত সুদ আয়ের চুড়ান্ত করদায় পরিশোধ হিসেবে গণ্য হবে, তাই করদায় পরিগণনায় প্রথমে উক্ত সুদ আয় ব্যতিত অপরাপর খাতের করযোগ্য আয়ের উপর প্রযোজ্য আয়করের হিসাব করতে হবে। এরপর সে অংকের সাথে savings instruments এর সুদের উপর কর্তিত কর যোগ করে ‘মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়কর’ এর পরিমাণ নির্ণিত হবে।

উদাহরণ হিসেবে, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ধেকে ১ জুলাই ২০১৪ তারিখে করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার গ্রস সুদ আয় হয়েছে ৩,০০,০০০/- টাকা। এর উপর ৫% হারে উৎস কর বাবদ ১৫,০০০/- টাকা কর্তন করে অবশিষ্ট ২,৮৫,০০০/- টাকা করদাতাকে পরিশোধ করা হয়েছে। করদাতার ২০১৪-১৫ আয় বছরে বেতনাদি খাতে করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ছিল ৪,০০,০০০/- টাকা এবং গৃহ সম্পত্তি খাতে আয়ের পরিমাণ ছিল ১,৮০,০০০/- টাকা। মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকা ১ জুলাই - ৩০ জুন সময়ের আয় বছর অনুসরন করেন। আলোচ্য সময়ে করদাতার রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগের পরিমান ছিল ২,০০,০০০/- টাকা।

বর্ণিত ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রের সুদ ব্যতিত করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার অপরাপর খাতের আয়ের পরিমাণ ৫,৮০,০০০/- টাকা এবং তার উপর প্রযোজ্য করের পরিমান ২৮,০০০/- টাকা। সঞ্চয়পত্রের সুদ খাতে উৎস কর্তিত করের পরিমাণ ১৫,০০০/- টাকা। ফলে করদাতার করদায়ের পরিমাণ হবে (২৮০০০+১৫০০০)= ৪৩,০০০ টাকা, যা আয়কর রিটার্নে নিম্নরূপে প্রদর্শিত হবে:

 

করদাতার আয় বিবরণী
৩০.০৬.২০১৫ তারিখে সমাপ্ত আয় বৎসরের আয়ের বিবরণী

টাকার পরিমাণ টাকার পরিমাণ
১। বেতনাদি: ধারা ২১ অনুযায়ী (তফসিল ১ অনুসারে) ৪,০০,০০০
২। নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ: ধারা ২২ অনুযায়ী
    (সঞ্চয়পত্রের গ্রস সুদ)
৩,০০,০০০
৩। গৃহ সম্পত্তির আয়: ধারা ২৪ অনুযায়ী (তফসিল ২ অনুসারে) ১,৮০,০০০
১০। মোট আয় (ক্রমিক ১ হতে ৯) ৮,৮০,০০০
১১। বিদেশ থেকে আয় ৮,৮০,০০০
১৩। মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়কর
(চুড়ান্ত করদায়ের অংকসহ)
 

 

সঞ্চয়পত্রের সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর এ খাতের আয়ের চূড়ান্ত করদায় বিধায় আয়কর রেয়াতের জন্য মোট আয়ের ৩০% (বর্তমানে প্রযোজ্য) অংক নিরূপণে সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় অন্তর্ভুক্ত হবে না। উদাহরণে উল্লিখিত করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াতের জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৫,৮০,০০০/- টাকার ৩০% অর্থাৎ ১,৭৪,০০০/- টাকা।

এ স্পষ্টীকরণ savings instruments এর সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত করের ভিত্তিতে আয় পরিগণনা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী ব্যাখ্যা/স্পষ্টীকরনের উপর প্রাধিকারপ্রাপ্ত বলে গণ্য হবে।

মোঃ শব্বির আহমদ
প্রথম সচিব (কর নীতি)

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়

(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয় (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৪৩ (৪) ধারা অনুযায়ী)ঃ
করদাতার স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানদের নামে যদি পৃথকভাবে আয়কর নথি না থাকে কিন্তু তাদের  নামে অর্জিত সম্পত্তি থেকে  আয় থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের নামে অর্জিত আয় রিটার্নের এই ঘরে দেখাতে হবে।

 

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : ফার্মের আয়ের অংশ

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়

(৬) ফার্মের আয়ের অংশঃ
করদাতা কোন অংশীদারি ফার্মের অংশীদার হলে ফার্ম থেকে পাওয়া তার আয়ের অংশ এ ঘরে দেখাবেন। এ আয়ের উপর করদাতা গড় হারে আয়কর রেয়াত পাবেন। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলোঃ
ধরা যাক, মিসেস সুম্মা জাহিরা একটি ফার্মের ১/৩ অংশের অংশীদার। সংশ্লিষ্ট বছরে ঐ ফার্ম ২,৮৫,০০০/- টাকা মুনাফা করেছে। ঐ অংশীদারি ফার্মে তার মুনাফার হিস্যা ৯৫,০০০/- টাকা। এছাড়া তার গৃহ স¤পত্তির নীট আয় ৩,২০,০০০/-টাকা। তার মোট আয় ৪,১৫,০০০/- টাকা। ২০১৬-২০১৭ কর বছরের আয়করের হার অনুযায়ী প্রদেয় করের পরিমাণ ১৬,৫০০/- টাকা। ফার্মের অংশীদারি আয়ের জন্য করদাতা যে রেয়াত পাবেন এবং রেয়াত পাওয়ার পরে তাকে যে পরিমাণ কর পরিশোধ করতে হবে তা এ রকমঃ
মোট প্রদেয় কর× ফার্মের অংশীদারী আয়   =                 ১৬,৫০০× ৯৫,০০০
    মোট আয়                                                          ৪,১৫,০০০
অর্থাৎ ফার্মের করারোপিত আয়ের উপর কর পরিশোধ    = ৩,৭৭৭ টাকা।
করদাতার নীট প্রদেয় করের পরিমাণঃ ১৬,৫০০-৩,৭৭৭ = ১২,৭২৩ টাকা।

(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : অন্যান্য উৎস হতে আয়

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ

(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয় (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪এর ৩৩ ধারা অনুযায়ী) ঃ
বেতন, নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ, গৃহ স¤পত্তির আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশার  আয়,  মূলধনী  মুনাফা  এসকল  আয়ের  খাত  ছাড়া  অন্য  যাবতীয়  আয় অন্যান্য  সূত্রের আয় হিসাবে বিবেচিত হবে। ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার উপর সুদ, নগদ লভ্যাংশ, সঞ্চয়পত্রের সুদ বা মুনাফা, লটারী, যন্ত্রপাতি ভাড়া দিয়ে আয়, বক্তৃতা বা লেখার সম্মানী ইত্যাদি অন্যান্য সূত্রের আয়ের কয়েকটি উদাহরণ।
ব্যাংক/সঞ্চয়পত্রের সুদ বা নগদ লভ্যাংশ এর ক্ষেত্রে মোট  (gross) প্রাপ্ত সুদ বা লভ্যাংশ আয়  হিসেবে বিবেচিত  হবে। অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে সুদ বা লভ্যাংশ হতে উৎসে আয়কর কর্তন করা হয়েছে সে সকল ক্ষেত্রে সুদ বা লভ্যাংশ হতে আয় হবে উৎসে আয়কর কর্তনপূর্ব অংক। যথাঃ ১,০০০/ টাকা উৎসে আয়কর কেটে ৯,০০০/- টাকা নীট সুদ বা মুনাফা কোন করদাতাকে প্রদান করা হলেও উক্ত  করদাতার  সুদ  বা  লভ্যাংশ  বাবদ  আয়  দেখাতে  হবে  ১০,০০০/-  টাকা। তবে  ব্যাংক/সঞ্চয়পত্রের সুদ বা লভ্যাংশ আয় থেকে উৎসে কেটে রাখা আয়কর করদাতার জন্য অগ্রিম পরিশোধিত কর হিসেবে বিবেচিত হবে যা আয়কর রিটার্র্ন দাখিল বা আয়কর মামলা নিরাপত্তি পর্যায়ে সৃষ্ট কর দাবীর বিপরীতে  সমন্বয় করা যাবে।  উদাহরণস্বরূপ  উল্লেখ  করা  যায়  যে,  একজন  করদাতার  মোট  আয়ের (সকল  করযোগ্য  আয়ের  সমষ্টি)  উপর  প্রদেয়  আয়করের  পরিমাণ ৫৫,০০০/-টাকা। তার ব্যাংক সুদ এবং লভ্যাংশের উপর কেটে রাখা আয়করের পরিমাণ যদি ১০,০০০/-  টাকা হয়, তাহলে তাকে কর নির্ধারণের পর ৫৫,০০০  -  ১০,০০০ = ৪৫,০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে।

(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : মূলধনী মুনাফা

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়

(৮) মূলধনী মুনাফা (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ধারা ৩১ অনুযায়ী)ঃ
কোন স¤পত্তি বিক্রি করে মুনাফা হলে তা রিটার্নে  মূলধনী আয় হিসেবে  দেখাতে হবে। এক্ষেত্রে  স¤পত্তির মধ্যে জমি, বাড়ী, এ্যাপার্টমেন্ট, কমার্শিয়াল প্লেস, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত  কো¤পানীর শেয়ার  বা মিউচ্যুয়াল ফান্ড  ইউনিট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ব্যবহার্য গাড়ী, ক¤িপউটার, আসবাবপত্র অলংঙ্কার  ইত্যাদি  মূলধনী  সম্পত্তি  হিসেবে  অন্তর্ভুক্ত  হবে না। বিক্রয়কৃত  জমি, বাড়ী,  এ্যাপার্টমেন্ট, কমার্শিয়াল প্লেস ইত্যাদি  রেজিস্ট্রেশনের  সময় যে  কর পরিশোধ করা হয় তা মূলধনী মুনাফার বিপরীতে  চূড়ান্ত  করদায়ের  বৈশিষ্ট সম্পন্ন নূন্যতম করদায় পরিশোধ বলে গণ্য হবে।
স্টক  এক্সচেঞ্জে  তালিকাভুক্ত  কো¤পানীর  শেয়ার  বা  মিউচ্যুয়াল  ফান্ড  ইউনিট বিক্রয়  বা  হস্তান্তর  হতে  ব্যাংক  ও  অন্যান্য  আর্থিক  প্রতিষ্ঠান,  মার্চেন্ট  ব্যাংক, শেয়ার ডিলার/ব্রোকার কো¤পানী এর ¯পন্সর শেয়ারহোল্ডার, ডিরেক্টর এবং স্টক এক্সচেঞ্জে  লিষ্টেড  কো¤পানীর  স্পন্সর  শেয়ারহোল্ডার  বা  ডিরেক্টরদের  আয় করযোগ্য। এছাড়া আয় বছরের যে কোন সময়ে  কোন করদাতার কোন একটি স্টক এক্সচেঞ্জে  লিষ্টেড  কো¤পানীর  পরিশোধিত  মূলধনের  ১০%  অধিক  শেয়ার থাকলে  ঐ  কো¤পানীর  শেয়ার  বিক্রয়  হতে  অর্জিত  আয়ও  করযোগ্য  হবে।  
২০১৬-২০১৭ এর পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
যে ক্ষেত্রে  ধারা ৫৩ঐ এর আওতায় উৎসে কর আদায় করা হয়েছে সে ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত সম্পত্তির মূল্য যদি করদাতার পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণীতে আগে প্রদর্শিত থাকে তাহলে পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণীতে সম্পদের পরিবৃদ্ধি ও ব্যয়ের উৎস প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলমূল্য হতে আগের প্রদর্শিত মূল্য বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংক নেয়া হবে।
যেমন ধরা যাক, মি. আদি টঙ্গীতে ১০ বছর আগে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গা ক্রয় করেছেন। তিনি ২০১৬-২০১৭ করবর্ষে জমিটি বিক্রয় করেছেন। জমির বিক্রয় মূল্য ১২,০০,০০০/- টাকা
এক্ষেত্রে, বিক্রয় মূল্য থেকে ক্রয় মূল্য বাদ দিলে ১১,০০,০০০/- জমি বিক্রয় থেকে মূলধনী আয়।
রিটার্ন সম্পদ ও দায় বিবরণীতে ১৭ নং আইটেমে Source of Fund (অর্জিত তহবিল সমূহ) (iii) নং এ others recipt (অন্যান্য প্রাপ্তি) এ Land sale ১১,০০,০০০/- উল্লেখ করতে হবে এবং সম্পদ বিবরণী থেকে সম্পত্তির ক্রয় মূল্য ১,০০,০০০/- টাকা বাদ দিতে হবে।

(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : ব্যবসা বা পেশা হতে আয়

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়

(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়ঃ
ব্যক্তি করদাতা ব্যবসার জন্য হিসাবের খাতাপত্র রাখলে হিসাব বিবরণী অনুযায়ী আয়  দেখাতে হবে। অন্যথায়, আয় ব্যয় বিবরণী অনুযায়ী আয় দেখাতে হবে। আয়কর  রিটার্নের  সাথে  ব্যবসা  বা  পেশা  আয়ের  উৎপাদন  হিসাব,  বাণিজ্যিক হিসাব, লাভ ও ক্ষতি হিসাব এবং স্থিতিপত্র বা আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী (যা প্রযোজ্য) সংযোজন করতে হবে। ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তি বা বিক্রয় হতে ব্যবসা  সংশ্লিষ্ট সকল খরচ বাদ দিয়ে নীট আয় নির্ণয় করতে হয়। উল্লেখ্য যে, করদাতার ব্যক্তিগত খরচ বা ব্যবসা বহির্ভূত ব্যয় এক্ষেত্রে খরচ হিসেবে বাদ দেয়া যাবে না। তাছাড়া ব্যবসার মূলধনী প্রকৃতির খরচও নীট আয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে খরচ হিসেবে বাদ দেয়া যাবে না। নতুন ফরমে তফসিল ২৪সি পূরণ পূর্বক মূল রিটার্নের সাথে সংযুক্ত বা পেশার ধরণ (যেমন, ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে গ্রোসারী ব্যবসা, কমিশন ব্যবসা, জুয়েলারী ব্যবসা ইত্যাদি এবং পেশার ক্ষেত্রে  চিকিৎসা, আইন, কনসাল্টেন্সি ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। ক্রমিক নং-০৪ এ ব্যবসা বা পেশার নাম  (ট্রেড লাইসেন্স অনুযায়ী) উল্লেখ করতে হবে। ক্রমিক নং-০৫ এ ব্যবসা বা পেশার ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। ক্রমিক নং-০৬ হতে ০৯ এ ব্যবসা বা পেশার আয়ের বিবরণ (লাভ ও ক্ষতি হিসাব) উল্লেখ করতে হবে। ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তি বা বিক্রয় হতে ব্যবসা সংশ্লিষ্ট সকল খরচ বাদ দিয়ে নীট আয় নির্ণয় করতে হবে। উল্লেখ্য, করদাতার ব্যক্তিগত খরচ বা ব্যবসা বহির্ভূত খরচ গ্রস প্রাপ্তি বা বিক্রয় হতে বাদ দেয়া যাবে না। তাছাড়া ব্যবসার মূলধনী প্রকৃতির খরচও নীট আয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে খরচ হিসেবে বাদ দেয়া যাবে না।
ক্রমিক নং-১০ হতে ২০ এ ব্যবসা বা পেশার স্থিতিপত্র বা আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীর তথ্য প্রদান করতে হবে।
করদাতার ব্যবসা বা পেশা খাতে আয় না থাকলে মূল রিটার্নের সাথে তফসিল ২৪সি সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই।
করদাতা  স্টেশনারী  ক্রয়-বিক্রয়ের  ব্যবসায়  নিয়োজিত। ০১/৭/২০১৫ তারিখ হতে ৩০/৬/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত তাঁর মোট বিক্রয়ের পরিমাণ ৩০,০০,০০০/-টাকা।  বিক্রিত  মালামালের  ক্রয়মূল্য  ২৪,০০,০০০/-  টাকা,  কর্মচারীর  বেতন ৬০,০০০/-  টাকা, ইলেট্রিক বিল, দোকান ভাড়া, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফিস ও পরিবহন খরচ এর সমষ্টি ১,০০,০০০/- টাকা। তাছাড়া  ফার্নিচার ক্রয় বাবদ ব্যয়
৪০,০০০/- টাকা।
ব্যবসা খাতে নীট আয় পরিগণনা ও করদায় হবে নিম্নরূপঃ
মোট বিক্রয়ের পরিমাণ                                                                                    ৩০,০০,০০০/-
বাদঃ বিক্রিত মালামালের ক্রয়মূল্য --------                                                            ২৪,০০,০০০/-
গ্রস মুনাফা                                                                                                  ৬,০০,০০০/-
বাদঃ অন্যান্য খরচ
কর্মচারীর বেতন -------------------                                                     ৬০,০০০/-
ইলেট্রিক  বিল,  দোকান  ভাড়া,  ট্রেড       
লাইসেন্স নবায়ন ফিস ও পরিবহন খরচ এর সমষ্টি -----------------------        ১,০০,০০০/-
বাদ: অবচয় (depreciation)
ব্যবসায় ব্যবহৃত হবার কারণে ফর্নিচার মূল্য ৪০,০০০/- টাকার
উপর তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী ১০% হারে ৪,০০০/- টাকা অবচয়
ভাতা প্রাপ্য হবেন                     ৪,০০০/-
    ব্যবসা খাতে নীট আয় =                                                                               ৪,৩৬,০০০/-

করদাতার নিরূপিত মোট আয় ৪,৩৬,০০০/-  টাকার বিপরীতে ধার্য্যকৃত করের পরিমাণ নিম্নে  পরিগণনা করা হলোঃ

মোট আয় করহার করের পরিমাণ
প্রথম ২,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত  মোট আয়ের উপর --- শূন্য শূন্য
অবশিষ্ট ১,৮৬,০০০/- টাকা আয়ের উপর- ১০% ১৮,৬০০/-
মোট = ১৮,৬০০/-

অর্থাৎ করদাতাকে প্রদেয় কর  ১৮,৬০০/-  টাকা রিটার্ন দাখিলের  পূর্বে পরিশোধ করতে হবে। ৪৭ নং পৃষ্ঠায় বিবিধ মালের ব্যবসায়ের একটি উদাহরণ উল্লেখ করা হয়েছে।

(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : কৃষি আয় এবং বিয়োজন সমূহ

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়

(৪) কৃষি আয় এবং বিয়োজন সমূহঃ
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা -২৬ এবং ২৭ অনূযায়ী কৃষি খাতে আয় নিরূপণ করতে হয়। যে সকল করদাতার কৃষি ছাড়া আর কোন আয় নেই সে সকল করদাতার কর মুক্ত আয়ের সাধারন সীমার অতিরিক্ত আরও  ২,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত করমুক্ত থাকবে অথাৎ ৪,৫০,০০০/-টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য কোন আয়কর পরিশোধ করতে হবে না মহিলা করদাতা ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা
আয়ের সীমা হবে (৩,০০,০০০+২,০০,০০০)= ৫,০০,০০০/- টাকা। প্রতিবন্ধী করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের এ সীমা হবে (৩,৭৫,০০০+২,০০,০০০)= ৫,৭৫,০০০/-টাকা এবং গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার ক্ষেত্রে ৪,২৫,০০০ + ২,০০,০০০ = ৬,২৫,০০০/- টাকা।
প্রতিবন্ধি ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের জন্য আরো ২৫,০০০/- বেশি যুক্ত হবে

কৃষি খাতে আয় নির্ধারনীয় ক্ষেত্রে বাদযোগ্য বিষয় সমূহ ধারা - ২৭ এ উল্লেখ করা হয়েছে
২৭(২) অনূযায়ী যদি খাতা পত্র না রাখা হয় সেই ক্ষেত্রে ৬০% উৎপাদন বাদ দিয়ে অবশিষ্ট আয় আয়ের সাথে যোগ হবে।
যেমনঃ
১। করদাতা একজন চাকরিজীবী , তাঁর কৃষি আয় সংক্রান্ত হিসাবের কোন খাতা পত্র নাই এবং ভূমি থেকে উৎপাদি কৃষি আয়ের পরিমাণ ১,০০,০০০.০০ টাকা । এ ক্ষেত্রে করদাতার  করযোগ্য নীট কৃষি আয়ের হিসাব নিম্নরুপঃ
ভূমি থেকে উৎপাদিত কৃষি আয়                                      = ১,০০,০০০.০০ টাকা
বাদঃ উৎপাদিত ব্যয় ৬০% [ধারা -২৭(২)]                           =    ৬০,০০০.০০ টাকা
করযোগ্য নীট কৃষি আয়                                               =    ৪০,০০০.০০ টাকা
২। ধরা  যাক  জনাব  রফিকের  কৃষি  জমির  পরিমাণ  ২  একর।  একর  প্রতি  ধান উৎপাদনের পরিমাণ ধরা যাক ৪৫ মণ। প্রতিমণ ধানের বাজারমূল্য ৮০০/-  টাকা হলে নীট করযোগ্য কৃষি আয়ের পরিমাণ হবেঃ

২ একর দ্ধ ৪৫ দ্ধ মণ বাজার মূল্য ৮০০/-                          = ৭২,০০০/- টাকা।
বাদঃ উৎপাদন ব্যয় ৬০%                                             = ৪৩,২০০/- টাকা।
    নীট কৃষি আয়                                                     = ২৮,৮০০/- টাকা।

(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : গৃহ সম্পত্তি হতে আয়

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ২২ ধারা)ঃ

(৩) গৃহ সম্পত্তির আয় (আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ২৪ ও ২৫ ধারা অনুযায়ী)ঃ

কোন করদাতা তার বাড়ী আবাসিক বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ভাড়া দিলে, সেই আয় রিটার্ণের গৃহ সম্পত্তির আয়ের ঘরে দেখাবেন। যারা আট পাতার ফরম পূরণ করবেন (আইটি-১১গ) সেই ফরমের সাথে একটি তফসিল (তফসিল-২) দেয়া আছে। আর যারা তিন পাতার ফরম (ITUMA) ব্যবহার করবেন তারা আলাদা কাগজে দেখাবেন নতুন ফরমে Part-3-এ 52 নং Colum-এ Schedule-24B সিলেক্ট করতে হবে এবং উক্ত ঝপযবফঁষব-এ বাড়ী ভাড়া সংক্রান্ত তথ্যগুলো ইনপুট দিতে হবে। 

তফসিল -২ (গৃহ সম্পত্তির আয়)

গৃহ সম্পত্তির
অবস্থান ও বর্ণনা
বিবরণ টাকা টাকা
বাড়ীর অবস্থান
কত তলা উল্লেখ
 করতে হবে
১। ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয়।
গৃহ সম্পত্তি ভাড়া দেয়া হলে ১২ মাসের ভাড়া দেখাতে হবে। যদি এক বা একাধিক মাস
বাড়ী খালি থাকে সেক্ষেত্রেও ১২ মাসের ভাড়া দেখাতে হবে। তবে খালি থাকা মাসের
ভাড়া নীচের আরেকটি ঘরে খরচ হিসাবে দাবী করা যাবে।
  ****
 

২। দাবীকৃত ব্যয়সমূহঃ

মেরামত,আদায়, ইত্যাদিঃ
(ক) আবাসিক ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেয়া হলে বার্ষিক ভাড়ার উপর ২৫% মেরামত আদায় ইত্যাদি খরচ অনুমোদন যোগ্য।
(খ) বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেয়া হলে বার্ষিক ভাড়ার উপর ৩০% খরচ মেরামত , আদায়, ইত্যাদি খরচ অনুমোদনযোগ্য।
এই খরচের জন্য কোন প্রমাণ দাখিলের প্রয়োজন নেই।

****  
  পৌর কর/ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কর / স্থানীয় কর ****  
  ভূমি রাজস্ব ****  
  ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে গৃহীত ঋণের উপর সুদ/ বন্ধকী/ মূলধনী চার্জঃ
সংশ্লিষ্ট গৃহ সম্পত্তি নিমার্ণ বা পুনঃ নির্মাণের জন্য ঋণ গ্রহণ করা হলে উক্ত ঋণের সুদ
****  
  বীমা কিস্তি: সংশ্লিষ্ট গৃহ সম্পত্তির বীমা করা হলে ****  
  গৃহ সম্পত্তি খালি থাকার কারণে দাবিকৃত রেয়াত ****  
  অন্যান্য , যদি থাকে ****  
  মোট =   ****
  ৩। নীট আয়ঃ (ক্রমিক ১ হতে ২ এর বিয়োগফল)   ****

(i)     বেতনভুক্ত করদাতাগণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী বা পেশাজীবি করদাতাগণ  আইটি-১১গ এর পরিবর্তে যথাক্রমে
আইটি-১১ঙ ও আইটি-১১চ ব্যবহার করলে এরূপ তফসিল সংযোজনের প্রয়োজন নেই। তবে গৃহ সম্পত্তি খাতে আয় নিরূপণ করে একটি পৃথক বিবরণী আইটি-১১ঙ বা আইটি-১১চ এর সাথে সংযুক্ত করা যেতে পারে নতুন ফরমে Part-3-এ 52 নং Colum-এ Schedule-24B সিলেক্ট করতে হবে এবং উক্ত Schedule-এ বাড়ী ভাড়া সংক্রান্ত তথ্যগুলো ইনপুট দিতে হবে।
(ii)   এস,আর,ও নং ২১৬-আইন/আয়কর/২০১৪, তারিখঃ ১৮ আগষ্ট, ২০১৪ এর মাধ্যমে বিধি ৮এ সংযোজন করে
আয়কর অধ্যাদেশে হিসাব রক্ষণের পদ্ধতি বিষয়ক ধারা ৩৫ সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে এক বা একাধিক ভাড়াটিয়ার নিকট থেকে বাড়ী ভাড়া বাবদ মাসিক সর্বমোট ২৫ হাজার টাকার বেশী প্রাপ্ত হলেই বাড়ীর মালিককে ব্যাংক হিসাবে প্রাপ্ত ভাড়া জমা করতে হবে। বাড়ীর মালিক (ব্যক্তি, ফার্ম, কোম্পানী বা অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠান) কর্তৃক এ বিধান পরিপালন করা না হলে গৃহ সম্পত্তি বাবদ অর্জিত আয়ের উপর প্রদেয় আয়করের ৫০% অথবা ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা (যেটি বেশি) হারে বাধ্যতামূলকভাবে জরিমানা আরোপিত হবে।
(iii)   অর্থ আইন, ২০১৫ পরিপত্রে আনিত ব্যাখ্যা :গৃহ-সম্পত্তি খাতের আয় নিরূপণে আয়কর অধ্যাদেশের ধারা ২৫ এর উপ-ধারা
(১) এর ক্লজ (h) অনুযায়ী আবাসিক ভবনের বার্ষিক ভাড়া মূল্যের ২৫% এবং বাণিজ্যিক ভবনের ৩০% আইনানুগভাবে মেরামত, আদায়, ইত্যাদি খরচ হিসেবে অনুমোদন করা হয়। গৃহ-সম্পত্তির আয় গণনায় এরূপ ব্যয় দাবী সত্বেও কোন করদাতা আইনানুগভাবে অনুমোদিত এ খরচের সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মেরামত বাবদ খরচ হয়নি- এ যুক্তিতে যদি কোন অংক তার সম্পদ পরিবৃদ্ধির তহবিলের উৎস হিসেবে প্রদর্শন করেন, তবে সমপরিমাণ অংক অর্থ আইন, ২০১৫ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশের ধারা ১৯ এ সংযোজিত উপ-ধারা (৩০) এর বিধানমতে “গৃহ-সম্পত্তি খাতে আয়” হিসেবে গণ্য হবে।
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি-করদাতা একটি আবাসিক ভবন ভাড়ায় প্রদান হতে আয় অর্জন করেন। উক্ত ভবনের বার্ষিক ভাড়ামূল্য ১২,০০,০০০/- টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি গৃহ-সম্পত্তির আয় গণনায় আয়কর অধ্যাদেশের ধারা ২৫ এর উপ-ধারা (১) এর ক্লজ (h) অনুযায়ী অনুমোদনযোগ্য খরচ ৩,০০,০০০/- টাকা দাবী করেন। কিন্তু উক্ত অংক খরচ হয়নি দাবী করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর বছরের সম্পদ পরিবৃদ্ধির উৎস ব্যাখ্যায় তা তহবিল হিসেবে প্রদর্শন করেন । এ ক্ষেত্রে নব প্রবর্তিত বিধান অনুযায়ী বিধিবদ্ধ ব্যয়ের অব্যয়িত সমুদয় অংক আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ধারা ১৯ এর উপ- ধারা (৩০) এর বিধান অনুসারে“গৃহ-সম্পত্তির আয়” হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, দাবী অনুযায়ী এ ধরণে অব্যয়িত সমুদয় অংক বা অংশ বিশেষের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে।
ব্যক্তি-করদাতা ব্যতীত অন্যান্য পর্যায়ের করদাতাও যদি হিসাব বিবরণীতে গৃহ-সম্পত্তি খাতের আয় গণনায় দাবীকৃত এরূপ খরচ অব্যয়িত অংক হিসেবে প্রদর্শন করে, সেক্ষেত্রেও এ ধারার বিধানটি সমভাবে প্রযোজ্য হবে।
উদাহরণের সাহায্যে গৃহ স¤পত্তি খাতে আয় নিরুপন এবং কর পরিগণনা নিম্নে দেখানো হলোঃ
ধরা  যাক,  মিসেস লায়লা হক এর একটি  চারতলা আবাসিক বাড়ী রয়েছে। ঐ  বাড়ীর নীচতলায় তিনি সপরিবারে বসবাস করেন। বাকী তিনটি তলা আবাসিক ব্যবহারের জন্য  ভাড়া  দিয়েছেন,  প্রতিটি  তলার  মাসিক  ভাড়া  ১৫,০০০/-  টাকা। এ বছর তিনি পৌরকর বাবদ ১৬,০০০/-  টাকা, ভূমির খাজনা বাবদ ৫০০/-  টাকা এবং গৃহ নির্মাণ ঋণের  ব্যাংক  সুদ বাবদ ২০,০০০/-  টাকা পরিশোধ করেছেন। মিসেস লায়লা হক এর গৃহস¤পত্তি হতে আয়ের হিসাব নীচে দেয়া হলোঃ
মাসিক ভাড়া ১৫,০০০ দ্ধ ৩টি তলা দ্ধ ১২ মাস =            ৫,৪০,০০০/-
বাদঃ অনুমোদনযোগ্য খরচ  
১। মেরামত ব্যয় (ভাড়ার ২৫%)                   ১,৩৫,০০০/-
২। পৌর কর (১৬,০০০/-× ৩/৪)*                   ১২,০০০/-
৩। ভূমি রাজস্ব (৫০০/-× ৩/৪)*                         ৩৭৫/-
৪। গৃহ নির্মাণ ঋণের সুদ (২০,০০০/- × ৩/৪)*    ১৫,০০০/-
                                                                       ১,৬২,৩৭৫/-
        গৃহ স¤পত্তি থেকে নীট আয় =                             ৩,৭৭,৬২৫/-
*স্বনিবাস- ১/৪ অংশ, ভাড়ায় ব্যবহৃত-৩/৪ অংশ
মিসেস লায়লা হক এর নিরূপিত মোট আয় ৩,৭৭,৬২৫/-টাকার বিপরীতে ধার্য্যকৃত করের পরিমাণ এভাবে পরিগণনা করা হবেঃ

মোট আয় করহার করের পরিমাণ
প্রথম ৩,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত  মোট আয়ের উপর --- শূন্য শূন্য
অবশিষ্ট ৭৭,৬২৫/- টাকা আয়ের উপর- ১০% ৭,৭৬২/-
মোট = ৭,৭৬২/-

(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ
 

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ২২ ধারা)ঃ
সরকার  কর্তৃক  ইস্যুকৃত  বন্ড  বা  সিকিউরিটিজ  (যেমন  টিএন্ডটি  বন্ড, ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, ট্রেজারী বন্ড/বিল, ইত্যাদি), ডিবেঞ্চার হতে অর্জিত সুদ  এবং জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত সেভিংস ইন্সট্রুমেন্টসের সুদ এ খাতের আয় হিসেবে রিটার্নে দেখাতে হবে। সাধারণভাবে, সিকিউরিটিজ বা ডিবেঞ্চার কেনার জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হলে ঋণের  সুদ সিকিউরিটিজ হতে অর্জিত সুদ আয় থেকে খরচ হিসেবে বাদ দেয়া যাবে। তবে ৮২সি ধারার আওতাধীন কোন সেভিংস ইন্সট্রুমেন্টসের সুদের ক্ষেত্রে খরচ বাদ যাবে না। ২০১৬-২০১৭ কর বছরে যেকোন ধরনের সঞ্চয়পত্রের অর্জিত সুদের উপর উৎসে কর্তিত কর উক্ত খাতের বিপরীতে চূড়ান্ত করদায়ের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নূন্যতম করদায় পরিশোধ হিসেবে গণ্য হবে।

(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়