Business Blog

Displaying 41-50 of 60 results.

রিটার্ন কোথায় দাখিল করতে হবে?

প্রত্যেক শ্রেণীর করদাতার রিটার্ন দাখিলের জন্য আয়কর সার্কেল ঠিক করা আছে। করদাতারা তাঁদের নাম, চাকুরীস্থল বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার ভিত্তিতে নির্ধারিত  আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন।
এই ক্ষেত্রে গোল্ডেন বাংলাদেশের A  টু Z Business Solution এর Portal www.goldenbusinessbd.com এর
Juridiction এ আপনার সার্কেল খুজে বের করতে পারবেন। এবং বই এর অধিক্ষেত্র দেখুন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে কি ধরণের বিলম্ব সুদ আরোপ হবে?

একজন করদাতা  ৩০ নভেম্বর ২০১৬ তারিখের মধ্যে, অর্থাৎ Tax Day এর মধ্যে ২০১৬-১৭ কর বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে করদাতার উপর মাসিক ২% হারে বিলম্ব সুদ (delay interest) আরোপযোগ্য হবে। করদাতা উপ কর কমিশনারের নিকট হতে রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় নিলেও বিলম্ব সুদ পরিশোধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে বিলম্ব সুদ ছাড়াও অতিরিক্ত সরল সুদ ও জরিমানা আরোপসহ অধ্যাদেশের অধীন  অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানও যথারীতি প্রয়োগযোগ্য হবে।
বিলম্ব সুদ পরিগণনা করা হবে সংশ্লিষ্ট কর বছরের করদাতার মোট আয়ের উপর নিরূপিত করে (tax assessed on total income) এবং উৎস করসহ অগ্রিম করের পার্থক্যের উপর।
মোট আয়ের উপর নিরূপিত কর (tax assessed on total income) বলতে বুঝাবে-
(ক) ধারা 82BB এর আওতায় দাখিলকৃত এবং উক্ত ধারার আওতায় নিষ্পত্তিকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে, উক্ত ধারার উপধারা (1) এর অধীন প্রদেয় করদায়, উপধারা (2) এর অধীন পরিগণনাকৃত করদায় বা উপধারা (3) এর অধীন নিরূপিত মোট আয়ের ভিত্তিতে নিরূপিত করদায়- এ তিনটির মধ্যে যেটি বেশি হয়, তা;
(খ) ধারা 82BB এর আওতায় নিষ্পত্তিকৃত নয় এরূপ রিটার্নের ক্ষেত্রে, উপ কর কমিশনার কর্তৃক নিরূপিত মোট আয়ের ভিত্তিতে পরিগণনাকৃত করদায়।
বিলম্ব সুদ পরিগণনার সময়কাল হবে Tax Day এর পরবর্তী দিবস থেকে শুরু করে-
(ক) যেক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের দিন পর্যন্ত;
(খ) যেক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা হয়নি, সেক্ষেত্রে নিয়মিত কর নির্ধারণের দিন পর্যন্ত।
বিলম্ব সুদ পরিগণনার সর্বোচ্চ সময়কাল হবে ১ বছর।
যে সকল ক্ষেত্রে ধারা 75 এর উপধারা (5) এর proviso এর বিধান প্রযোজ্য সে সকল ক্ষেত্রে এ ধারায় বর্ণিত সুদ প্রদেয় হবে না।
বিলম্ব সুদ কিভাবে হিসেব করা হবে তা নীচের উদাহরণের সাহায্যে দেখানো হলো:
উদাহরণঃ
৩০ জুন ২০১৬ তারিখে সমাপ্ত আয় বছরে মিজ্ মৌলি হাসানের মোট আয় ছিল ৬,০০,০০০/- টাকা। তিনি ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ১২,০০০/- টাকা অগ্রিম কর ও ৪,০০০/- টাকা উৎসে কর প্রদান করেছেন। মিজ্ হাসান আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন করলে উপ কর কমিশনার দুই মাস সময় মঞ্জুর করেন। মিজ্ মৌল হাসান ১৫ জানুয়ারী ২০১৭ তারিখে ১৪,০০০/- টাকার পে-অর্ডারসহ ৮২বিবি ধারায় আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। উপ কর কমিশনার ৩০ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে  ৮২বিবি(২) ধারায় রিটার্নটি process করেন, যাতে কোন গাণিতিক ত্রুটি পওয়া যায়নি। রিটার্নটি ৮২বিবি(২) ধারায় অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়নি।
এক্ষেত্রে,
মোট আয়ের উপর নিরূপিত কর ৩০,০০০/- টাকা
অগ্রিম কর ও উৎস করের সমষ্টি: (১২,০০০+৪,০০০) = ১৬,০০০/- টাকা
পার্থক্য: ৩০,০০০-১৬,০০০ = ১৪,০০০ টাকা।
বিলম্ব সুদ পরিগণনার সময়: ১ ডিসেম্বর ২০১৬ হতে ১৫ জানুয়ারী ২০১৭ = ১ মাস ১৫ দিন।
ফলে, মাসিক ২% হারে বিলম্ব সুদ হবে,
[১৪,০০০x ২%x ১] + [১৪,০০০x ২%x (১৫/৩১)] = ৪১৫/- টাকা।
কোন করদাতার ক্ষেত্রে বিলম্ব সুদ প্রযোজ্য হলে করদাতা বিলম্ব সুদ ছাড়াই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। উপ কর কমিশনার রিটার্ন ঢ়ৎড়পবংং বা কর নির্ধারণের সময় বিলম্ব সুদ অন্তর্ভুক্ত করে দাবীনামা জারী করবেন।

কখন আয়ের বিবরণ বা রিটার্ন দাখিল করতে হবে?

ব্যক্তি করদাতাকে Tax Day (কর দিবস) এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। ২০১৬-১৭ কর বছরের জন্য ৩০ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ হচ্ছে কর দিবস, অর্থাৎ রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ। একজন ব্যক্তি-করদাতা ১ জুলাই ২০১৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০১৬ তারিখের মধ্যে ২০১৬-১৭ কর বছরের রিটার্ন দাখিল করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব না হলে করদাতার রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বিধি নির্ধারিত ফরমে উপযুক্ত কারণ উল্লেখপূর্বক উপ কর কমিশনারের কাছে সময়ের আবেদন করতে পারবেন। সময় মঞ্জুর হলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে সাধারণ অথবা সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ভতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা যাবে।

রিটার্ন ফরম কোথায় পাওয়া যায়?

আয়কর রিটার্ন ফরম কর সার্কেলসহ বিভিন্ন কর অফিসে বিনামূল্যে পাওয়া যায়। রিটার্ন ফরম ব্যবসা সংক্রান্ত ওয়েব সাইট www.goldenbusinessbd.com এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েব সাইট www.nbr-bd.org থেকে Download করা যাবে।

আয়কর রিটার্ন কারা দেবেন?

কোন ব্যক্তি  (individual)  করদাতার  আয় যদি বছরে  ২,৫০,০০০/-  টাকার বেশী হয় তবে তাকে রিটার্ন দিতে হবে। মহিলা  এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতার আয়  যদি  বছরে  ৩,০০,০০০/-  টাকার  বেশি,  প্রতিবন্ধী  করদাতার  আয়  যদি  বছরে ৩,৭৫,০০০/-  টাকার বেশী  এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৪,২৫,০০০/-  টাকার বেশী  হয়  তাহলে ঐ করদাতাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে নিম্নবর্নিত  ক্ষেত্রসমূহে আয়ের পরিমাণ যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তি-করদাতাকে সংশ্লিষ্ট আয় বছরের জন্য আবশ্যিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে:
(ক) যদি আয় বছরে করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে;
(খ) আয় বছরের পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোন বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে  থাকে বা তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে;
(গ) করদাতা যদি-
১. কোন কোম্পানীর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার employee  হন;
২. কোন ফার্মের অংশীদার হন;
৩. সরকার অথবা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ, কর্পোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোন আইন, আদেশে বা দলিলের মাধ্যমে
গঠিত কোন কর্তৃপক্ষ, কর্পোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের কর্মচারী (employee) হয়ে আয় বছরের যেকোন সময় ১৬,০০০/- টাকা তদূর্ধ্ব পরিমাণ মূল বেতন আহরণ করে থাকেন;
(ঘ) আয় বছরে করদাতার আয় কর অব্যহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য হয়ে থাকে;
(ঙ) যদি আয় বছরের কোন এক সময়ে নিম্নবর্ণিত শর্তের যে কোনটি করদাতার জন্য প্রযোজ্য হয়-
১. মোটর গাড়ির মালাকানা থাকা (মোটর গাড়ি বলতে জীপ বা মাইক্রোবাসকেও বুঝাবে);
২. মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ থাকা;
৩. কোন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা  অথবা  ইউনিয়ন পরিষদ হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোন ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা;
৪. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার নিবন্ধন থাকা;
৫. আয়কর পেশাজীবী (income tax practioner)) হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিবন্ধন থাকা;
৬. কোন বণিক বা শিল্প বিষয়ক চেম্বার বা ব্যবসায়িক সংঘ বা সংস্থার সদস্যপদ থাকা;
৭. কোন পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশনের কোন পদে বা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়া;
৮. কোন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কোন স্থানীয় সরকারে কোন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করা;
৯. কোন কোম্পানীর বা কোন গ্রুপ অব কোম্পানীজের পরিচালনা পর্ষদে থাকা;

আয়কর রিটার্ন কি?

আয়কর রিটার্ন হলো সরকার কর্তক নির্ধারিত একটি কাঠামোবদ্ধ ফরম যার মধ্যে করদাতা তাঁর আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য লিখে আয়কর অফিসে দাখিল করেন। ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতা ও কোম্পানী করদাতাদের জন্য পৃথক রিটার্ন রয়েছে। ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার রিটার্ন ফরম বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় পাওয়া যায়।

আয়কর কি?

সরকারের রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করের মধ্যে অন্যতম হলো আয়কর। করদাতা আয় বিবেচনায় এ কর প্রযোজ্য হয়। কোন ব্যক্তির আয় নির্দিষ্ট সীমার উপর হলে উক্ত আয়ের উপর আয়ের স্তর ভিত্তিতে বিভিন্ন হার অনুযায়ী আয়কর প্রদান করতে হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারি ব্যয় নির্বাহ এবং দেশের অভ্যন্তরীন উন্নয়ন।

আয়কর সম্পর্কে কিছু জ্ঞাতব্য বিষয়

০১। আয়কর কি?
সরকারের রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করের মধ্যে অন্যতম হলো আয়কর। করদাতা আয় বিবেচনায় এ কর প্রযোজ্য হয়। কোন ব্যক্তির আয় নির্দিষ্ট সীমার উপর হলে উক্ত আয়ের উপর আয়ের স্তর ভিত্তিতে বিভিন্ন হার অনুযায়ী আয়কর প্রদান করতে হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারি ব্যয় নির্বাহ এবং দেশের অভ্যন্তরীন উন্নয়ন।

০২।  আয়কর রিটার্ন কি?
আয়কর রিটার্ন হলো সরকার কর্তক নির্ধারিত একটি কাঠামোবদ্ধ ফরম যার মধ্যে করদাতা তাঁর আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য লিখে আয়কর অফিসে দাখিল করেন। ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতা ও কোম্পানী করদাতাদের জন্য পৃথক রিটার্ন রয়েছে। ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার রিটার্ণ ফরম বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় পাওয়া যায়।

০৩। আয়কর রিটার্ন কারা দেবেন
কোন ব্যক্তি  (individual)  করদাতার  আয় যদি বছরে  ২,৫০,০০০/-  টাকার বেশী হয় তবে তাকে রিটার্ন দিতে হবে। মহিলা  এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতার আয়  যদি  বছরে  ৩,০০,০০০/-  টাকার  বেশি,  প্রতিবন্ধী  করদাতার  আয়  যদি  বছরে ৩,৭৫,০০০/-  টাকার বেশী  এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৪,২৫,০০০/-  টাকার বেশী  হয়। তবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকগণ বিদ্যমান কর অব্যহতি সীমা অপেক্ষা ২৫,০০০/- টাকা অতিরিক্ত কর অব্যহতি প্রাপ্ত হবেন। আয়ের পরিমাণ যাই হোক না কেন কতিপয় ব্যক্তির  ক্ষেত্রে  রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। তাঁদের তালিকা নীচে দেয়া হলোঃ
(১) আয় বছর করযোগ্য আয় থাকলে;
(২) আয় বছরের পূর্ববর্তী তিন বছরের যে কোন বছর করযোগ্য আয় নিরূপিত হলে;
(৩) একটি গাড়ীর মালিক হলে;
(৪) মূল্য সংযোজন কর আইনে নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্য হলে;
(৫) সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা  অথবা  ইউনিয়ন পরিষদে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকলে;
(৬) ডাক্তার, দন্ত চিকিৎসক, আয়কর আইনজীবী, আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড  ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় পেশায় নিয়োজিত সকল ব্যক্তিবর্গ;
(৭) চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অথবা কোন ট্রেড এসোসিয়েশনের সকল সদস্য;
(৮) পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন অথবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল পদপ্রার্থী;
(৯) সরকারি,  আধা-সরকারি,  স্বায়ত্তশাসিত  সংস্থা  অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ঠিকাদারী কাজে টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী সকল ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান;
(১০) কোম্পানী বা কোন গ্রুপ অব কোম্পানীর কর পরিচালনা পর্যদের পরিচালক;
(১১) সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের ১৬,০০০/- টাকা বা তদুর্ধ মূল বেতনধারী;
(১২) ধারা ৪৪ এর আওতায় কর অব্যহতি বা হ্রাসকৃত কর হার সুবিধা গ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান  (দাতব্য প্রতিষ্ঠান ব্যতীত)
(১৩) এছাড়া নিম্নোক্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের
      (ক) কোন কোম্পানী (খ) এনজিও ব্যুরোতে রেজিস্ট্রিকৃত এনজিও (গ) কো-অপারেটিভ সোসাইটি     
      (ঘ) ফার্ম (ঙ) এসোসিয়েশনের ব্যক্তি (চ) কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার বা শেয়ার হোল্ডার এমপ্লয়মেন্ট   
      (ছ) ফার্মের পার্টনার এর আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাদ্ধতামূলক।

 

তথ্যসূত্র : সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণের নির্দেশিকা। প্রকাশনায়- গোল্ডেন বাংলাদেশ।

আবদুল কালামের ১০টি উক্তি, যা আপনার জীবনধারা পালটে দেবে

Picture

'স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।'
'সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।'
'যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।'
'যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।'

প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
১) আমি সেরা।
২) আমি করতে পারি
৩) সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে
৪) আমি জয়ী
৫) আজ দিনটা আমার


'ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।'

'জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।'
'আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।'
'উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।'
'যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।'

নতুন ভ্যাট আইনে ২০ সুবিধা

Picture

আগামী অর্থবছর থেকে রাজস্ব আদায়ের প্রধান খাত হবে ভ্যাট বা মূসক (মূল্য সংযোজন কর)। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে নতুন মূসক আইন কার্যকর হবে।
নতুন আইন বাস্তবায়ন, সেবা প্রদান ও মূসক আদায় হবে অনলাইনে। ফলে, সনাতনী মূসক আইনে হয়রানির অভিযোগবিহীন করদাতারা পাবেন নতুন ২০টি সুবিধা।
২০টি সুবিধা হলো-
- মূল্য ঘোষণার ঝামেলা নেই। বিদ্যমান আইনে ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল পণ্যের মূল্য ঘোষণা, যা বর্তমান আইনে থাকছে না।
ব্যবসায়ীরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বা সেবা যে মূল্যে বিক্রি করবেন, সে মূল্যেই মূসক পরিশোধ করবেন। এ মূল্যের মধ্যেই মূসক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- নতুন আইনে চলতি হিসাব রেজিস্টার সংরক্ষণ করতে হবে না। চলতি হিসাবের জটিলতা নেই। ফলে ব্যবসায়ীদের অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে না।
- রেয়াত গ্রহণ পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ করা হয়েছে। নতুন আইনে উপকরণ কর রেয়াতের পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রেয়াত পাওয়া যাবে আগের তুলনায় অনেক বেশি।
- আমদানিতে বিল অফ এন্ট্রি, সরবরাহ ক্ষেত্রে চালানপত্র, উৎসে কর কর্তনের ক্ষেত্রে সমন্বিত চালানপত্র এবং উৎসে কর সংক্রান্ত সনদ দাখিল করলে রেয়াত পাওয়া যাবে।
- রিটার্ন দাখিলে মূসক অফিসে যেতে হবে না। যে কোনো সময় অনলাইনে দাখিল করা যাবে। দাখিল করা রিটার্নে ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।
- নতুন আইনে ব্যাংকে না গিয়ে অনলাইনে মূসক পরিশোধের ব্যবস্থা থাকছে। ট্রেজারি চালান ছাড়াও ব্যাংক ও অনলাইনের মাধ্যমে মূসক প্রদান করা যাবে।
এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিস্তিতে মূসক পরিশোধ করার সুযোগ থাকছে। মূসক পরিশোধের পেমেন্ট কপি করদাতা ও বিভাগীয় দফতর সংরক্ষণ করবে।
- রিফান্ড পদ্ধতি অনলাইনে করা হয়েছে। অনলাইনে রিফান্ড পাওয়া যাবে। রিফান্ড গ্রহণের ক্ষেত্রে ৬ মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
যদি কোনো কারণে ৬ মাস অতিক্রান্ত হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশনারের কাছে আবেদন করলে তা ৩ মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। টাকা সরাসরি করদাতার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।
- মূসক আইনে আপিল আবেদন অত্যন্ত জটিল। নতুন আইনে অনলাইনের মাধ্যমে আপিল আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।
যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সে আদেশের বিস্তারিত অনলাইনে পাবেন। অনলাইনে আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি অনলাইনে জানতে পারবেন।
- কমিশনারেট ও বিভাগীয় অফিসে ‘ট্যাক্স পেয়ার সার্ভিস সেন্টার’ থাকবে। সেখানে ছোট ছোট গ্রুপ করে কমিশনাররা করদাতাদের অভিযোগ শুনে সমাধান দেবেন।
একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে উন্মুক্ত সভা, সেমিনার করা হবে। সেখানে সমস্যা শোনা ও তার সমাধান দেওয়া হবে।
- মূসক নিবন্ধনে মূসক অফিসে যেতে হবে না। ঘরে বা অফিসে অনলাইনের মাধ্যমে মূসক নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করা যাবে।
- ব্যবসায়ীদের মূসক সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারানোর ভয় থাকবে না। সব কাগজপত্র, তথ্য অনলাইনে করদাতার মূসক অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকবে।
- রিটার্ন অনলাইনে দাখিলে ভ্যাট কমিশনারেট অফিস বা বিভাগীয় অফিসে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধার মাধ্যমে তা দাখিল করতে পারবেন।
- মূসক দিতে যে কোনো জটিলতায় থাকবে কন্ট্যাক্ট সেন্টার। সেখান থেকে মূসক সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান পাওয়া যাবে ২৪ ঘণ্টা।
- বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) মাধ্যমে দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান মূসক প্রদান করে থাকে। তাদের জন্য থাকবে ওয়ান স্টপ সার্ভিস।
- নতুন আইনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করতে বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লাখ টাকা বা তার কম টার্নওভার সম্পন্ন হলে মূসক দিতে হবে না।
- ৩০ লাখ টাকার বেশি কিন্তু ৮০ লাখ টাকার কম বার্ষিক টার্নওভার সম্পন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৩ শতাংশ হারে টার্নওভার কর প্রদান করলেই হবে।
- অনাবাসিক ব্যক্তি (দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তি) এজেন্টের মাধ্যমে মূসক প্রদান করতে পারবেন অথবা অনলাইনে মূসক পরিশোধ করতে পারবেন।
- সম্পূরক শুল্কের পরিধি কমিয়ে অনেক সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
- সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক সেবা প্রদানের ফলে ছোট বড় সব প্রতিষ্ঠান সমান ব্যবসার সুযোগ পাবে।
- টার্নওভার সুবিধাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলো সরাসরি আমদানি-রফতানি করতে পারবে।
- নতুন আইনের আওতায় মূসক ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার ভিত্তিক হওয়ায় তা পরিপালন সহজতর হবে।