INCOME TAX HOT

Displaying 1-10 of 11 results.

বিনিয়োগ ও দানকৃত অংকের কর রেয়াত

বিনিয়োগ ও দানকৃত অংকের কর রেয়াত
নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতে করদাতার বিনিয়োগ/চাঁদা থাকলে করদাতা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পান। মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের অংক থেকে কর রেয়াতের অংক বাদ দিলে প্রদেয় করের অংক পাওয়া যায়। একজন করদাতার বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পরিগণনার ক্ষেত্রে নি¤œরূপ ২টি বিষয় বিবেচিত হয়:
(ক) করদাতার মোট আয়:
(খ) রেয়াতের জন্য অনুমোদনযোগ্য অংক (eligible amount)

রেয়াতের জন্য অনুমোদনযোগ্য অংক (eligible amount) হবে-
(i) রেয়াত পাওয়ার যোগ্য খাতে করদাতার প্রকৃত বিনিয়োগ/চাঁদার পরিমাণ;
(ii) করযোগ্য মোট আয়ের (৮২সি ধারার (২) উপ-ধারায় বর্ণিত উৎস/উৎসসমূহ হতে প্রাপ্ত আয় এবং কর অব্যহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এমন আয় থাকলে তা ব্যতীত) ২৫%;
(iii) ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা; অথবা এই তিনটির যেটি কম।
মোট আয় ও অনুমোদযোগ্য অংক (বষরমরনষব ধসড়ঁহঃ) এর ভিত্তিতে আয়কর রেয়াতের পরিমাণ নিম্নরূপ হারে নির্ধারিত হবে:

মোট আয়  রিবেট
যদি মোট আয় ১৫ লক্ষ টাকার অধিক না হয়  ১৫% হারে
যদি মোট আয় ১০ লক্ষ টাকার অধিক হলে  ১০% হারে

বিনিয়োগ জনিত রেয়াত দাবির জন্য পৃথক তফসিল রয়েছে। নতুন রিটার্ন ফরমে তফসিলটি 24 ডি নামে চিহ্নিত। নতুন রিটার্ন দাখিলকারী করদাতা বিনিয়োগ দাবি করলে রেয়াত পাওয়ার যোগ্য বিনিয়োগ বা দান নতুন প্রবর্তিত তফসিল ২৪-ডি এ উল্লেখপূর্বক মূল রিটার্নের সাথে সংযুক্ত করতে হবে এবং বিনিয়োগ বা দানের প্রমাণপত্র রিটার্নের সাথে দাখিল করতে হবে।
বিনিয়োগের খাতঃ একজন করদাতার বিনিয়োগ ও দানের সম্ভাব্য খাতের তালিকা নীচে দেয়া হলোঃ
* জীবন বীমার প্রিমিয়াম।
* সরকারি কর্মকর্তার প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা।
* স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা।
* কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা।
* সুপার এনুয়েশন ফান্ড প্রদত্ত চাঁদা।
* যে কোন তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনশন স্কীমে
বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬০,০০০ টাকা বিনিয়োগ।
* সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ।
* বাংলাদেশের ষ্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কো¤পানির শেয়ার, স্টক,

মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ;
* বাংলাদেশ সরকার ট্রেজারী বন্ডে বিনিয়োগ;
দানঃ
* জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে অনুদান;
* যাকাত তহবিলে দান।
* জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কোন দাতব্য হাসপাতালে দান।
* প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানে দান।
* মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে প্রদত্ত দান।
* আগাঁ খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কে দান।
* আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে দান।
* ICDDRB তে প্রদত্ত দান।
*CRP , সাভার এ প্রদত্ত দান।
* সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান।
* এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ এ দান।
* ঢাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে দান।
* মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের কোন প্রতিষ্ঠানে অনুদান;
উদাহরণের সাহায্যে অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ ভাতার পরিমাণ এবং কর রেয়াত কিভাবে পরিগণনা
করা হবে তা নিম্নে দেখানো হলোঃ
(১). ধরা যাক, জনাব সালাউদ্দিন একজন সরকারি বেতনভোগী করদাতা। তাঁর বেতন খাত, গৃহসম্পত্তি ও সঞ্চয়পত্রের সুদ খাতে আয় রয়েছে। ২০১৯-২০ কর বছরে উক্ত আয়ের পরিমাণ নিম্নরূপ:

আয়ের খাত  পরিমাণ (৳) 
(ক) বেতন খাতে আয় ৭,১৮,২০০
(খ) ব্যাংক সুদ আয় ১,২০,০০০
নিয়মিত উৎসের আয় ৮,৩৮,২০০
(গ) সঞ্চয়পত্রের সুদ খাতে আয় (৮২সি ধারায়) ৫০,০০০
(সঞ্চয়পত্রের সুদ হতে ৫% হারে উৎসে কর কর্তনের পরিমাণ ২,৫০০)  
মোট আয় ৮,৮৮,২০০

জনাব সালাউদ্দিনের রেয়াত পাওয়ার যোগ্য খাতে মোট প্রকৃত বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল নিম্নরূপ:

ক্রম  বিনিয়োগের খাত  পরিমাণ (৳) 
১.  ভবিষ্যৎ তহবিলে আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য ভবিষ্য তহবিলে প্রদত্ত চাঁদা ৯৬,০০০
২.  কল্যাণ তহবিলে প্রদত্ত চাঁদা এবং গোষ্ঠি বীমা স্কীমের কিস্তি ১,০৮০
৩.  নতুন সঞ্চয়পত্র ক্রয় ১,০০,০০০
৪.  জীবন বীমার কিস্তি প্রদান ১২,০০০
৫.  ষ্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভূক্ত কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ৫,০০০
  মোট প্রকৃত বিনিয়োগ, দান ইত্যাদি ২,১৪,০৮০

রেয়াত পূর্ববর্তী করদায় হবে নিম্নরূপ:

মোট আয়  করের পরিমাণ (৳) 
সঞ্চয়পত্রের সুদ বাদে নিয়মিত উৎসের আয় ৮,৩৮,২০০ এর উপর প্রযোজ্য আয়কর:  

প্রথম ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর 

শুন্য

পরবর্তী ৪০০,০০০ টাকার উপর ১০% 

৪০,০০০

অবশিষ্ট ১৮৮,২০০ টাকা আয়ের উপর ১৫% 

২৮,২৩০

সঞ্চয়পত্রের সুদ আয়ের জন্য প্রদেয় কর:

 
সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় ৫০,০০০ উপর উৎসে কর্তিত কর  ২,৫০০
রেয়াত পূর্ববর্তী করদায়  ৭০,৭৩০

জনাব সালাউদ্দিনের তথ্য অনুযায়ী রেয়াতের জন্য অনুমোদযোগ্য অংক (eligible amount) হবে:

(ক)  মোট প্রকৃত বিনিয়োগ, দান ইত্যাদি  ২,১৪,০৮০  
(খ)  সঞ্চয়পত্রের সুদ ৮২সি ধারার আয় হওয়ায় উক্ত আয় বিনিয়োগ রেয়াতের অনুমোদনযোগ্য সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ পর্যায়ে বিবেচিত হবে না । তাই অনুমোদনযোগ্য অংক বিবেচনার জন্য উক্ত আয় ব্যতীত মোট আয় দীড়ায় (৮,৮৮,২০০-৫০,০০০)  ৮,৩৮,২০০ টাকা ।যার উপর ২৫% হারে ২০৯,৫৫০ ২,০৯,৫৫০  
(গ)    ১,৫০,০০,০০০  
  অনুমোদনযোগ্য অংক (eligible amount) [(ক) বা (খ) বা (গ), এ তিনটির মধ্যে যেটি কম]   ২,০৯,৫৫০

কর রেয়াতের পরিমান :

করদাতার মোট আয় ১৫ লক্ষ টাকার অধিক না হওয়ায় কর রেয়াতের পরিমাণ হবে অনুমোদনযোগ্য অংক (eligible amount) ২,০৯,৫৫০ টাকার ১৫% অর্থাৎ ৩১,৪৩৩ টাকা ।

নীট প্রদেয় কর:
নীট প্রদেয় করের পরিমাণ (৭০,৭৩০-৩১,৪৩৩)                                     ৩৯,২৯৭
বাদঃ উৎসে কর্তিত কর                                                                         ২২,৫০০

অবশিষ্ট প্রদেয় করের পরিমাণ                                                               ৩৬,৭৯৭

 

(২) ধরা যাক, জনাব ফয়েজ আহমেদ ২০১৯-২০২০ কর বছরে মোট আয়ের পরিমাণ ১২,০০,০০০ বিভিন্ন খাতে তার মোট বিনিয়োগ/দানের পরিমাণ নিম্নরূপ:

ক্রম  খাত  পরিমাণ (৳) 
১.  জীবন বীমার কিস্তি প্রদান ৬০,০০০
২.  ডিপোজিট পেনশন স্কীমে বিনিয়োগ ১২০,০০০
৩.  সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ ২০০,০০০
৫.  যাকাত তহবিলে দান ৫০,০০০
  মোট প্রকৃত বিনিয়োগ, দান ইত্যাদি ৪৩০,০০

 

 

জনাব ফয়েজ আহমেদের কর রেয়াত ও করদায়ের পরিমাণ হবেনিম্নরূপ:
কর রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ/দান:

ক্রম  খাত  পরিমাণ (৳) 
১.  জীবন বীমার কিস্তি প্রদান ৬০,০০০
২.  ডিপোজিট পেনশন স্কীমে বিনিয়োগ (২ক ও ২খ এর মধ্যে যেটি কম) ৬০,০০০
  ২ক. প্রকৃত বিনিয়োগ ১,২০,০০০
 
  ২খ. অনুমোদনযোগ্য সীমা ৬০,০০০
 
৩.  সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ ২০০,০০০
৪.  যাকাত তহবিলে দান ৫০,০০০
  মোট প্রকৃত বিনিয়োগ, দান ইত্যাদি ৩.৭০,০০০



রেয়াত র্পূবর্বতী করদায় 

প্রথম ২.৫০.০০০ টাকা পর্যস্ত মোট আয়ের উপর  শূন্য
পরবর্তী ৪.০০.০০০ টাকার উপর ১০% হারে  ৪০.০০৩
পরবর্তী ৫.০০.০০০ টাকার উপর ১৫% হারে  ৭৫.০০০
অবশিষ্ট ৫০.০০০ টাকা আয়ের উপর ২০%  ১০,০০০
মোট  ১,২৫.০০৩

 

 

রেযাতের জন্য অনুমোদনযোগা অংক (eligible amount)

(ক)  মোট প্রকৃত বনিযি়োগ, দান ইত্যাদি ৩৭০,০০০  

(খ)

 মোট আয়ের ১২,০০,০০০ টাকার ২৫% ৩০০,০০০ ৩০০,০০০  
(গ)   ১,৫০,০০,০০০  
  অনুমোদনযোগ্য অংক ((eligible amount)
[(ক) বা (খ) বা (গ), এ তনিটরি মধ্যে যটেি কম] 
  ৩০০,০০০

 

কর রেয়াতের পরিমান :

করদাতার মোট আয় ১৫ লক্ষ টাকার অধিক হওয়ায় কর কর রেয়াতের পরিমান করতে হবে :

৩,০০,০০০ টাকার ১০% অর্থাত ৩০,০০০ টাকা

ফলে নীট প্রদেয় করের পরিমান দাঁড়াবে (১,২৫,০০০-৩০,০০০) টাকা ।

(৩) ধরা যাক, একজন সরকারি বেতনভোগী করদাতার বেতন ও বোনাস খাত, ব্যাংক সুদ, গৃহ সম্পত্তি, লভ্যাংশ, সঞ্চয় পত্রের সুদ খাতে আয় রয়েছে । ২০১৯-২০২০ কর বছরে উক্ত খাত  সমূহে মোট আয়ের পরিমান ছিলো৫,০০,০০০।

উক্ত কর দাতা প্রতি মাসে প্রভিডেন্ট ফান্ডে ২,০০০ টাকা, কল্যান তহবিল ও গোষ্টী বীমা বাবদ মাসিক যথাক্রমে ৫০ টাকা এবং ৪০ টাকা চাঁদা দিয়ে থাকেন । তিনি ৫০,০০০ টাকা র তিন বৎসর মেয়াদী সঞ্চয় পত্র ক্রয় করেছেন  এবং জীবন বীমার প্রিমিয়ার বাবদ বাৎসরিক ৩,০০০ টাকা দিয়েছেন । তিনি তফসিল ব্যাংক ডিপোজিট পেনশেন স্কীমে (ডিপিএস) প্রতি মাসে ৫০০ টাকা জমা করেছেন । এছাড়া  সংশ্লিষ্ট কর বছরে শেয়ার ৫,০০০ বিনিয়োগ করা হয়েছে । করদাতার মোট আয় ৫,০০,০০০ টাকার বিপরীতে অনুমোদন যোগ্য বিনিয়োগ ভাতা, বিনিয়োগের জন্য আয় কর রেয়াত ও করদায় পরিগননা নিম্নে উল্লেখ করা হলো ।

মোট আয় করহার করের পরিমান 
প্রথম ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর  শুন্য  শুন্য 
পরবর্তী ২,৫০,০০০ টাকা আয়ের উপরে ......... ১০%  ২৫,০০০
রেয়াত পরবর্তী করদায়    ২৫,০০০

করক রেয়াতের জন্য প্রকৃত বিনিয়োগ 

(ক) প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা (২,০০০ * ১২)                            = ২৪,০০০

(খ) কল্যান তহবিল ও গোষ্টী বীমা তহবিলে চাঁদা 

(৫০+৪০) টাকা * ১২ মাস                                                  = ১,০৮০

(গ) সঞ্চয় পত্রে বিনিয়োগ                                                 = ৫০,০০০

(ঘ) জীবন বীমা প্রিমিয়ার প্রদান                                        =৩,০০০

(ঙ)ডিপিএস জমা (৫০০*১২ মাস )                                   =৬,০০০

(চ) শেয়ার বিনিয়োগ                                                       = ৫,০০০

                                                                                      ৮৯,০৮০

রেয়াতের জন্য অনুমোদন যোগ্য অংক (eligible amount):

(ক)  মোট প্রকৃত বিনিয়োগ, দান ইত্যাদি ৮৯,০৮০  
(খ)  মোট আয়ের ৫,০০,০০০ টাকার ২৫% ১২৫,০০০  
(গ) সর্বচ্চো সীমা  ১৫০,০০০  
  অনুমোদন যোগ্য অংক (eligible amount) [(ক) বা (খ) বা (গ) , এ তিনটির মধ্য যেটি কম    ৮৯,০৮০

কর রেয়াতের পরিমান:

করদাতার মোট আয় ১৫ লক্ষ টাকার অধিক না হওয়ায় কর রেয়াতের পরিমান হবে অনুমোদন যোগ্য আংক (eligible amount) ৮৯,০৮০ এর ১৫% অর্থাৎ (৮৯,০৮০)

মোট আয়ের উপর কর প্রযোজ্য

রিটার্নের সাথে যে সকল ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে

রিটার্নের সাথে যে সকল ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে
বিভিন্ন উৎসের আয়ের সপক্ষে যে সকল ডকুমেন্টের ফটোকপি দাখিল করতে হবে আয়ের খাতওয়ারী সেগুলোর একটি তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ
বেতন খাতঃ
(ক) বেতন বিবরণী;
(খ) ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকলে কিংবা ব্যাংক সুদ খাতে আয় থাকলে ব্যাংক বিবরণী বা ব্যাংক সার্টিফিকেট
(গ) জীবন বীমার প্রিমিয়াম দাবী করা হলে প্রিমিয়াম জমার রশিদের কপি


নিরাপত্তা জামানতের সুদ খাতঃ
(ক) বন্ড বা ডিবেঞ্চার যে বছরে কেনা হয় সে বছরে বন্ড বা ডিবেঞ্চারের কপি;
(খ) সুদ আয় থাকলে সুদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র;
(গ) ব্যাংক বা প্রাতিষ্ঠানিক, ঋণ নিয়ে বন্ড বা ডিবেঞ্চার কেনা হয়ে থাকলে ঋণের সুদের সমর্থনে ব্যাংক সার্টিফিকেট/ব্যাংক বিবরণী বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র;


গৃহ সম্পত্তি খাতঃ
(ক) বাড়ি ভাড়ার সমর্থনে ভাড়ার চুক্তিনামা বা ভাড়ার রশিদের কপি মাসিক ভিত্তিক বাড়ি ভাড়া প্রাপ্তির বিবরণী এবং প্রাপ্ত বাড়ি ভাড়া জমা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বিবরণী;
(খ) পৌর কর, সিটি কর্পোরেশন কর, ভুমি রাজস্ব প্রদানের সমর্থনে রশিদের কপি;
(গ) ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে বাড়ি কেনা বা নির্মাণ করা হয়ে থাকলে ঋণের সুদের সমর্থনে ব্যাংক সার্টিফিকেট;
(ঘ) গৃহ সম্পত্তি বীমাকৃত হলে বীমার প্রিমিয়ামের রশিদের কপি।


ব্যবসা বা পেশা খাতঃ
ব্যবসায়ের বা পেশার আয়-ব্যয়ের বিবরণী (Income Statemant) ও স্থিতিপত্র (Balance Sheet)


অংশীদারী ফার্মের আয়ঃ
ফার্মের আয়-ব্যয়ের বিবরণী (Income Statemant) ও স্থিতিপত্র (Balance Sheet)


মূলধনী মুনাফাঃ
(ক) স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের দলিলের কপি;
(খ) উৎসে আয়কর জমা হলে তার চালান/পে-অর্ডারের ফটোকপি;
(গ) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন থেকে মুনাফা হলে এ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র;


অন্যান্য উৎসের আয়ের খাতঃ
(ক) লভ্যাংশ খাতে আয় থাকলে ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্টের কপি বা সার্টিফিকেট;
(খ) সঞ্চয়পত্র হতে সুদ আয় থাকলে সঞ্চয় পত্র ভাঙ্গানোর সময় নেয়া সার্টিফিকেটের কপি;
(গ) ব্যাংক সুদ আয় থাকলে ব্যাংক বিবরণী/সার্টিফিকেট;
(ঘ) অন্য যে কোন আয়ের উৎসের জন্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র;

অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ

 অর্থ আইন ২০১৯ দ্বারা আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ তে ধারা ১৯BBBBB এর সন্নিবেশ [আবাসিক বাড়ি/এ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ/ক্রয়ে  বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান]: 

১৯BBBBB ধারা অনুযায়ী একজন করদাতা যদি আবাসিক প্রয়োজনে বাড়ি বা এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে/নির্মাণে  বিনিয়োগ করেন এবং সংশিষ্ট বাড়ি বা এ্যাপার্টমেন্টের বা জমির  পরিমাপের উপর নির্দিষ্ট হারে কর প্রদান করেন তাহলে কর বিভাগ কর্তৃক বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা হবে না। নিম্নের সারণীতে বাড়ি/এ্যাপার্টমেন্টের অবস্থানভেদে করের হার দেখানো হলো :

বাড়ি/ এ্যাপার্টমেন্ট এর অবস্থান  কর হার

১। গুলশান মডেল টাউন, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল      বাণিজ্যিক এলাকা, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় 

(ক) ২০০ বর্গমিটার আয়তনের মধ্যে হলে

(খ) ২০০ বর্গমিটার এর অধিক আয়তনের ক্ষেত্রে

- প্রতি বর্গমিটারে ৪ হাজার টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ৫ হাজার ৫ শত  টাকা

 ২। ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ডিওএইচএস, মহাখালী, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি, উত্তরা মডেল টাউন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কারওয়ান বাজার, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা এবং নিকুঞ্জ; চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশি, আগ্রাবাদ এবং নাসিরাবাদ এলাকায় 

(ক) ২০০ বর্গমিটার আয়তনের মধ্যে হলে

(খ) ২০০ বর্গমিটার এর অধিক আয়তনের ক্ষেত্র

 

-প্রতি বর্গমিটারে ৩ হাজার টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ৩ হাজার ৫শত টাকা

৩। ক্রমিক নং ১ ও ২ এ  বর্ণিত এলাকা ব্যতীত ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য এলাকা এবং অপরাপর সিটি কর্পোরেশনভূক্ত এলাকায় 

(ক) ১২০ বর্গমিটার আয়তনের মধ্যে হলে

(খ) ১২০ বর্গমিটারের  বেশি কিন্তু ২০০ বর্গমিটারের কম

(গ) ২০০ বর্গমিটারের অধিক হলে 

 -প্রতি বর্গমিটারে ৮ শত টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ১ হাজার টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ১ হাজার ৫শত টাকা

 ৪। জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভায়

 (ক) ১২০ বর্গমিটার আয়তনের মধ্যে হলে

(খ) ১২০ বর্গমিটারের  বেশি কিন্তু ২০০ বর্গমিটারের কম

(গ) ২০০ বর্গমিটারের অধিক হলে

-প্রতি বর্গমিটারে ৩০০ টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ৫০০ টাকা

   প্রতি বর্গমিটারে ৭০০ টাকা

 ৫। অন্যান্য এলাকায় 

(ক) ১২০ বর্গমিটার আয়তনের মধ্যে হলে

(খ) ১২০ বর্গমিটারের  বেশি কিন্তু ২০০ বর্গমিটারের কম

(গ) ২০০ বর্গমিটারের অধিক হলে  

-প্রতি বর্গমিটারে ২০০ টাকা

-প্রতি বর্গমিটারে ৩০০ টাকা    

-প্রতি বর্গমিটারে ৫০০ টাকা

তবে আয়কর বিভাগের কোন আইনি কার্যক্রমের ফলে এ ধরনের ঘোষনা প্রদান করা হলে সে ক্ষেত্রে বর্গমিটার প্রতি ১০০ শতাংশ অধিক হারে কর প্রদান করতে হবে ।   এছাড়া এই ধারার অন্যান্য বিধান পূর্বের ন্যায় অপরিবর্তিত থাকবে ।  

এ পদ্ধতিতে বিনিয়োগ প্রদর্শনের ক্ষেত্রে নিম্নবর্নিত শর্ত পরিপালন করতে হবে :

- যে বছর নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন/পজেশন হস্তান্তর সমাপ্ত হয়েছে সে বছরের সাথে সংশিষ্ট কর বছরে এরূপ বিনিয়োগ প্রদর্শন/ঘোষণা করতে হবে।

- কোন করদাতা যদি ইতোপূর্বে দেশের যে কোন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এক বা একাধিক এ্যাপার্টমেন্ট বা বাড়ির মালিক হন তাহলে এ পদ্ধতিতে নতুন কোন বিনিয়োগের ঘোষণা

প্রদান করলে ঐ করদাতাকে বাড়ি বা এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে/ নির্মাণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উপরোক্ত সারণী অনুযায়ী প্রদেয় করের অতিরিক্ত ২০% কর প্রদান করতে হবে। একইভাবে কোন করদাতা যদি একই সাথে একাধিক বাড়ি অথবা এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে/ নির্মাণে বিনিয়োগ এ পদ্ধতিতে ঘোষণা প্রদান  করতে চান তাহলে ঐ করদাতাকেও এরূপ একাধিক বাড়ি অথবা এ্যাপার্টমেন্ট প্রত্যেকটির জন্য প্রযোজ্য হারের অতিরিক্ত ২০% কর প্রদান করতে হবে। 

গোল্ডেন বাংলাদেশ এর কার্যক্রম

গোল্ডেন বাংলাদেশ একটি সামাজিক, অরাজনৈতিক, বেসরকারি দাতব্য প্রতিষ্ঠান।  এটি ২০০২ সালে সোসাইটি রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৮৬০ এর অধীনে নিবন্ধিত হয়।  গোল্ডেন বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠা কাল  থেকে মানবতার জন্য ভাল কিছু করার লক্ষ্যে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন, গনসচেতনতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন ও যুব সমাজকে  দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ করার মধ্যদিয়ে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

গোল্ডেন বাংলাদেশের লক্ষ্যঃ
তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের মধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার মাধ্যমে সৃজনশীল কর্মকান্ড পরিচালনা এবং ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়দ্ধতার উপর সচেতনতা বৃদ্ধি করে দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার লেেক্ষ্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা গোল্ডেন বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।

গোল্ডেন বাংলাদেশের উদ্দেশ্যঃ

  • বহির্বিশ্বের সাথে বাংরাদেশের সামাজিক, সংস্কৃতিক, ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক, এবং রাজনৈতিক অবস্হার সমন্বয় সাধন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে সম্মানিত করে গড়ে তোলার একটা প্রচেষ্টা।
  • ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা।
  • দেশের উন্নয়ন ভিত্তিক কার্যক্রম সম্পর্কে দেশের মানুষ কে সচেতন করে গড়ে তোলা।
  • তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে একটি দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়া।
  • সৃজনশীল, উদ্ভাবনী এবং ইতিবাচক কার্যকরী বিভিন্ন ধারনার মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং অগ্রগতির পথ উন্মচন।
  • ব্যাপক ডাটাবেজ উন্নয়নের মাধ্যমে ইতিবাচক ধারনা তৈরী এবং সমন্বীত পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তির উপর সচেতনতা বৃদ্ধি।
  • বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রগ্রামের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরী।
  • সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অগ্রগতী এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে বিকশিত করা।
  • তথ্য-প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন রকম সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারনা প্রদান।
  • বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে একটি তরুন, অনলস এবং গতিশীল স্বেচ্ছাসেবী দল তৈরী।  যারা সংগঠনের সাথে সমন্বিত প্রক্রিয়াই দেশের জন্য কাজ করবেন।
  • নারীর ক্ষমতায়ন, ওয়েব সাইটে দুঃস্হ নারীদের ডাটাবেজ তৈরী তাদের আবাসন এবং বিয়ের ব্যবস্হা করা।
  • বেকার সমস্য সমাধানে কর্মসংস্হানের পরিবেশ তৈরী।
  • যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ।
  • দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য আয়কর সম্পর্কে গনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা।
  • বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাথে সেতুবন্ধন তৈরী করা।

গোল্ডেন বাংলাদেশের ইতিহাসঃ

গোল্ডেন বাংলাদেশ ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক ভাবে তার কার্যক্রম শুরু করে ৭ই মার্চ ২০০২ সালে নিবন্ধিত হওয়ার পর থেকে।  শুরুতে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো তৈরী না হলেও একটি মহৎ স্বপ্নকে লালন করার মধ্য দিয়ে অপার সম্ভাবনার পথে রওনা হয় প্রতিষ্ঠানটি।  স্বল্প পরিসর, আর্থীক অনিশ্চয়তা আর নানান প্রতিকুলতাকে সঙ্গে নিয়ে লক্ষ্য পথে কুড়িয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা আর নিজেদের মেধা ও মননশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আজকের অবস্হানে সেই গোল্ডেন বাংলাদেশ।  অগ্রগতির ধারাবহিকতা রক্ষার্থে গোল্ডেন বাংলাদেশ সন্দেহাতীত ভাবে সাফল্যের শীর্ষে আরোহনে দৃঢ় প্রত্যয়ী।  শুরুর দিকে (অর্থাৎ ২০০০ সালে) বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনাময়ী পরিবহন সেক্টরে বিশেষ ভাবে মনোযোগী হয় প্রতিষ্ঠানটি।  দুটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে শুরু হয় কার্যক্রম।  এক. সরক দুর্ঘটনা রোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি।  দুই. দক্ষ ড্রাইভার ও মেকানিক তৈরীতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করা।  ফলাফলে ১৫ জনেরও অধিক ড্রাইভার ও বেশ কিছু মেকানিক তৈরীতে গোল্ডেন বাংলাদেশের ভূমিকা অনস্বীকার্য।  তাদের প্রত্যেক কেই কাজের সুযোগ তৈরী করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।  পরবর্তিতে বিস্তৃত হতে থাকে কার্যক্রম।  সংকীর্ণ গন্ডি পেরিয়ে যুক্ত হয় মাদকাশক্ত পুনর্বাসন, দুর্যগ ব্যবস্হাপনা কার্যক্রম সহ বেশ কিছু সমাজ সেবা মূলক কাজ।  যদিও আইটি সেক্টরই ছিলো আমাদের প্রধান পরিকল্পনা।  এসময় বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যৌথ উদ্যোগে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।  তার মধ্যে “আহ্বান উল্লেখ যোগ্য।  মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসনে গোল্ডেন বাংলাদেশ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।  তন্মধ্যে প্রচার-প্রচারনার জন্য বিভিন্ন প্রগ্রাম ও র‌্যালি পরিচালনা ও মাদকাশক্তদের চিকিৎসা প্রদান অন্যতম।  পরবর্তিতে প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাঁড়ায় তার মূল কেন্দবিন্দুতে।  মনোযোগী হয় তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টায়।  কেননা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পুরো দেশকে প্রযুক্তির জালে একত্রিত করতে।  একই সাথে দেশের গ্রামীণ জনপদ যারা নিজেদের অধিকার টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে ব্যর্থ হয় বারংবার।  নিগৃহীত হয় অর্থের অনটনে, তাদের জন্য সাহায়ের হাত বাড়িয়ে দেয় গোল্ডেন বাংলাদেশ।  বিশেষ করে দুঃস্হ নারী সমাজ যারা প্রতিনীয়তই নিষ্পেষিত, নিগৃহীত আর নির্যাতিত হচ্ছে সমাজের কাছে।  বয়স বাড়ার পরেও অর্থাভাবে বিয়ে করতে পারছেনা যারা সে সকল মানুষের সেবাই গোল্ডেন বাংলাদেশ বিশেষ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে আজ।  কাজ করে যাচ্ছে নিরলস ভাবে।  আমাদের বিশ্বাস ও প্রচেষ্টা সফলতার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আমরা মনে করি।

ONLINE RETURN FILLING GUIDELINE

1. Sign up online filing account                                                                                                               

•   Register online filing account (Bangla)

•   Register online filing account (English)

•   Online account application form

•   Video tutorial in Bengali

 

2. Computer configuration and setup (first time only)                                                                                     

•   Setup Taxpayer’s computer (Bangla)

•   Setup Taxpayer’s computer (English)

 

3. Common Instruction                                                                                                                        

•   Common Instruction (Bangla)

•   Common Instruction (English)

 

4. Submit Other than company (Individual) return (IT-11GA)                                                                           

•   Submit Individual return IT-11GA (Easy Bangla version)

•   Submit Individual return IT-11GA (Bangla)

•   Submit Individual return IT-11GA (English)

•   Video tutorial in Bengali

 

5. Submit Company return (IT-11GHA)                                                                                                      

•   Submit Company return IT-11GHA (Bangla)

•   Submit Company return IT-11GHA (English)

•   Video tutorial in Bengali

 

6. Submit Withholding return                                                                                                                 

•   Submit Withholding return (Bangla)

•   Submit Withholding return (English)

•   Video tutorial in Bengali

 

7. Submit Exemption/Tax holiday application                                                                                                

•   How to submit exemption/tax holiday application (Bangla)

•   How to submit exemption/tax holiday application (English)

•   Video Exemption tutorial in Bengali

•   Video Tax Holiday tutorial in Bengali

 

8. Submit Appeal application                                                                                                                  

রিটার্ন তৈরি করার আগের চেক লিষ্ট

রিটার্ন তৈরি করার আগে একটি চেক লিষ্ট তৈরি করুন                 
আয়ের বিবরণীঃ                            
১.বেতন খাতে আয়                                    টাকা.........    প্রমানাদি (ফটোকপি সংযুক্ত করবেন)
২.সিকিউিরিটির উপর সুদ খাতে আয়              টাকা.........    
উপযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ইস্যুকৃত বেতন সার্টিফিকেট।
                                                                               অর্জিত সুদের স্বপক্ষে ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত
৩.গৃহ সম্পত্তি কাতে আয়ঃ
ক. গৃহের তলা ভিত্তিক ফ্লোরস্পেস ও ভাড়া    ...............    ভাড়ার চুক্তিপত্র।
খ. পৌর করের পরিমান                           টাকা.........    পৌরকর প্রদানের রশিদ,
গ. বন্ধকী ঋণের উপর সুদ                       টাকা.........    ব্যাংকের ইস্যুকৃত বিবরণী বা কম্পিউটার নীট
ঘ. বাসস্থান খালি থাকলে তার সময়কাল       টকা..........    উপ কর কমিশনারকে জানানো হলে পত্রের কপি।

৪.কৃষি আয়ঃ
ক. কৃষি জমির পরিমাণ                            ...............
খ. ফলনকৃত শস্যের পরিমাণ                     ...............
গ. ......... বাজারমূল্য                              টাকা.........
৫.ব্যবসা বা পেশা খাতে আয়ঃ                    টকা..........    স্থিতি পত্র ও আয়-ব্যয়ের বিবরণী (যদি থাকে)

৬.মূলধনী লাভঃ
ক. মূলধনী সম্পদের বিক্রয়মূল্য                  টাকা.........    বিক্রিত চুক্তিপত্র ও বিক্রয়ের রসিদ
খ. বিক্রিত সম্পদের ক্রয়মূল্য                     টাকা.........    ক্রয়ের দলিল অথবা প্রমানপত্র
গ. আনুষঙ্গিক মূলধনী ব্যয়                         টাকা.........    ক্রয় ও আনুষঙ্গিক মূলধনী ব্যায়ের প্রমাণপত্র

৭. অন্যান্য উৎস খাতে আয়ঃ
ক.লভ্যাংশ                                            টাকা.........    ডিভিডেন্ট ওয়ারেন্ট
খ. সুদ                                                 টাকা.........    ব্যাংক সার্টিফিকেট সুদেও উপর উৎসে কর কর্তনের এবং ব্যাংক বিবরনী
গ. অন্যকোন উৎস                                  টাকা.........    আয়ের স্বপক্ষে প্রমাণপত্র
ঘ. এফডিআর/সঞ্চয়                                 টাকা.........

বাদঃ কর রেয়ায়েতের জন্য বিবেচ্য বিনিয়োগ
ক. জীবন বিমার প্রদত্ত কিস্তি                        টাকা.........    প্রিমিয়ার রিসিট
খ. ভবিষ্যতে প্রাপ্য বার্ষিক ভাতা প্রাপ্তির
    উদ্দেশ্যে চাঁদা                                     টাকা..........    উপযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ইস্যুকৃত বেতনরে
গ. ভবিষ্য তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী
    প্রযোজ্য ভবিষ্য তহবিলে প্রদত্ত চাঁদা         টাকা.........    সার্টিফিকেট।
ঘ. স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে স্বীয়
    ও নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত চাঁদা             টাকা.........    সার্টিফিকেটের ফটোকপি
ঙ. অনুমোদিত বয়সজনিত তহবিলে
    প্রদত্ত চাঁদা                                         টাকা.........    নিয়োগ কর্তার সার্টিফিকেট
চ. অনুমোদিত ঋণপত্র বা ডিবেঞ্চার স্টক,
    স্টক বা শেয়ার এ বিনিয়োগ                    টাকা.........    বিনিয়োগের প্রমাণপত্র
ছ. ডিপোজিট পেনশন স্কীমে প্রদত্ত চাঁদা          টাকা.........    ব্যাংকের সার্টিফিকেট সর্বোচ্চ ৬০,০০০
জ. কল্যান তহবিলে প্রদত্ত চাঁদা এবং
    গোষ্ঠী বিমা স্কীমের অধীন প্রদত্ত কিস্তি          টাকা.........    নিয়োগ কর্তার সার্টিফিকেট
ঝ. যাকাত তহবিলে প্রদত্ত চাঁদা                      টাকা.........  প্রমাণপত্র
ঞ. অন্যান্য, যদি থাকে (বিবরণ দিন)             টাকা.........  প্রমাণপত্র

 

করের ই-ফাইলিং করার নিয়মাবলী

ই-ফাইলিং করার নিয়মাবলী
প্রম ধাপঃ সাইন আপ অনলাইন ফিলিং একাউন্ট-
১. ইউজার আইডি তৈরী: 

যারা ১ম বার অনলাইনে রিটার্ন জমা দিবেন, তাদের প্রথমে ইউজার আইডি তৈরি করতে হবে। অনলাইনে সরাসরি অথবা কর সার্কেলে সরাসরি গিয়ে ইউজার আইডি তৈরি করা যায়।
(ধ) অনলাইনে সিস্টেমের মাধ্যমে ইউজার আইডি এর জন্য আবেদনঃ

- etaxnbr.gov.bd ওয়েব সাইটে ঢুকে “Register account” ট্যাবে ক্লিক করলে স্কিন প্রদর্শিত হবে, স্কিনের শেষে “Click Here” অবশনে ক্লিক করার পর tax payer online services from Sap: Registration  স্কিনটি প্রদর্শিত হবে। এরপর ড্রপডাউন বক্সে ক্লিক করে করদাতার সাইনআপ ফর্মটি ওপেন করে প্রথমে “tax payer online services Request User ID” এই অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। Next - বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী স্কিনে প্রবেশ করে করদাতার একটি ফর্ম “tax payer online services signup for username “ পাওয়া যাবে। ফর্রমটিতে প্রযোজনীয় তথ্য ইনপুট দিতে হবে। লাল তারকা চিহ্নিত ক্ষেত্র অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
পরবর্তীতে নিচের স্কীন অনুযায়ী ADD বাটন ক্লিক করে Attachment upload করতে হবে।
১. টি,আই,এন সার্টিফিকেট স্ক্যান কপি;
২. এন,আই,ডি/পাসপোর্ট স্ক্যান কপি;
৩. অনলাইনে অ্যাকাউন্ট রেজিষ্টেশন ফর্ম স্ক্যান কপি;
৪. সাম্পতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
সাবমিট করলে সাথে সাথে সিস্টেমে Confirmation প্রদর্শিত হবে। এরপর এন,বি,আর থেকে তথ্য যাচাই বাচাই করে তথ্য সঠিক পেলে ইমেলে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড পাঠাবে।

২. কর কর্মকর্তা হতে একাউন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণঃ করদাতার এপ্লিকেশন এর ভিত্তিতে কর কর্মকর্তা একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সম্বলিত সার্টিফিকেট প্রদান করবেন। প্রমবার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপঃ কম্পিউটার কনফিগার এন্ড সেটাপ-
করদাতাকে অনলাইন রিটার্ন ফিলাপের আগে তার কম্পিউটারে ব্যবহারকৃত ওয়েব ব্রাউজারটি সেটাপ করে নিতে হবে। এজন্য http://www.etaxnbr.gov.bd সাইট এ প্রদত্ত guidline থেকে
Computer configuration and setup (first time only)) নির্দেশনাটি ডাউনলোড করে তা অনুসরন করুন।
তৃতীয় ধাপঃ রিটার্ন সাবমিটঅনলাইন রিটার্ন সাবমিটের জন্য করদাতা http://www.etaxnbr.gov.bd সাইট এ প্রবেশ করে ONLINE FILLING  অপশনে ক্লিক করবেন। এখানে প্রদত্ত নির্দেশনার শেষ লাইন Please click here to access “online filling”এর ক্লিক হেয়ার এ ক্লিক করবেন। এখানে ক্লিক করার পর ব্যবহারকারীদের সামনে একটি লগইন উইনডো ওপেন হবে। এখানে লগইন করার পর প্রদর্শিত উইনডো থেকে filling অপশনটি বেছে নিতে হবে। এর পর করদাতার সামনে Tax (sub) Form নামের যে Interface গুলি আসবে তার প্রত্যেকটি ওপেন করে সতর্ক ভাবে নিজের তথ্য গুলো প্রদান করতে হবে। তথ্যগুলো ইনপুট সম্পূর্ণ হলে Check and Calculate বাটনে ক্লিক করুন (এতে তথ্য প্রদানে কোন ভুল থাকলে তা ধরা পরবে)। ক্যালকুলেট সম্পূর্ণ হলে Save draft বাটনে ক্লিক
করে ফাইলটি সেভ করুন তা না হলে আপনার সম্পূর্ণ ডাটা হারিয়ে যাবে। এভাবে প্রতেকটি Interface এ কাজ শেষ করার পরে Save draft বাটনে ক্লিক করে ফাইলটি সেভ করতে হবে।
Interface গুলো filling শেষ হলে চালান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এটাচ করতে হবে।

ডকুমেন্ট এটাচ করার জন্য উপরে মেনুবারে প্রদর্শিত ADD বাটন এ ক্লিক করতে হবে। এখানে একটি উইনডো ওপেন হবে তাতে ফাইলটি এটাচ করে তার নাম দিয়ে Upload বাটনে ক্লিক করলে ফাইলটি আপলোড হয়ে যাবে এবং তা প্রদর্শিত উইনডোতে শো করবে আপনি তা যে নামে আপলোড করেছেন। সকল তথ্য সঠিক ভাবে প্রদান করার পর Check and Calculate বাটনে ক্লিক করুন তাহলে আপনার পুরো ফাইল এ কোন ভুল থাকলে তা ধরে দিবে। ভুল থাকলে তা সংশোধন করে দিন। এর পর উপরে মেনুবারে প্রদর্শিত Submit বাটন এ ক্লিক করলে একটি ম্যাসেজ উইনডো শো করবে।
আপনি সহমত হলে পুণরায় Submit বাটন এ ক্লিক করলে রিটার্ন টি সাবমিট হয়ে যাবে। রিটার্ন সাবমিট হলে System একটি Submission ID প্রদান করবে। যদি আপনি কম্পিউটার
জেনারেট সার্টিফিকেট পেতে চান তাহলেApply and Close বাটনে ক্লিক করুন। যে উইনডোটি অপেন হয়েছে সেখানে Task over view বাটনে ক্লিক করলে একটি উইনডো ওপেন হবে সেখান
থেকে Search বাটনে ক্লিক করুন কয়েক মিনিট পর সার্টিফিকেট সংμান্ত একটি মেসেজ শো করবে। মেসেজটিতে ক্লিক করলে কম্পিউটার জেনারেট সার্টিফিকেটরে জন্য একটি ম্যাসেজ বক্স আসবে। সেখান থেকে Open বাটনে ক্লিক করলে আপনি আপনার সার্টিফিকেটটি দেখতে পারবেন। এবার আপনার প্রয়োজনমত সেভ বা প্রিন্ট করে সার্টিফিকেট টি সংরক্ষণ করুন।

২০১৯-২০২০ কর বছরের জন্য প্রযোজ্য আয়কর হার

২০১৯-২০20 কর বছরের জন্য প্রযোজ্য আয়কর হার
(ক) ব্যক্তি শ্রেণীর কর হারঃ
(১) অর্থ আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে ব্যক্তি করদাতা, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার, অংশিদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির করমুক্ত প্রদেয় আয়করের এবং সারচার্জ আরোপের বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১৯-২০২০কর বছরের জন্য এরূপ করদাতাদের আয়ের উপর প্রযোজ্য কর হার নিস্নরূপঃ

প্রথম ২,৫০,০০০/-  টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর শূন্য
পরবর্তী ৪,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ২৫%
অবশিষ্ট টাকার আয়ের উপর......... ৩০%

(২) মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ বয়সের পুরুষ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,০০,০০০/-টাকা।
(৩) প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০/-টাকা ।
(৪) গেজেটভূক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার আয়ের সীমা  ৪,২৫,০০০ টাকা করা হয়েছে। 
(৫) করমুক্ত সীমার ঊর্ধ্বের আয়ের ক্ষেত্রে প্রদেয় ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ এলাকাভেদে নিম্ন রূপভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছেঃ

এলাকার বিবরণ ন্যূনতম করের হার
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা ৫,০০০/-টাকা
অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা   ৪,০০০/-টাকা
সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত করদাতা  ৩,০০০/-টাকা
  • ন্যূনতম আয়করের এ বিধানের ফলে একজন করদাতার আয় যে কোন স্থানেই অর্জিত হউক না কেন তিনি যেখানে অবস্থান করবেন তাঁর সে অবস্থানের ভিত্তিতেই ন্যূনতম করের হার নির্ধারণ হবে। তবে কোন করদাতা যদি একই আয় বছরে একাধিক স্থানে অবস্থান করে থাকেন তাহলে যে স্থানে তিনি সর্বাধিককাল অবস্থান করেছেন সে অবস্থানস্থলের জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম কর হার তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
  • ব্যবসা আয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার মুখ্য স্থানই ন্যূনতম করের জন্য একজন করদাতার অবস্থানস্থল হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • একজন চাকুরীজীবি করদাতা আয়বছরে একাধিক স্থানে কর্মরত থাকলে যে স্থানে তিনি অধিক কাল কর্মরত ছিলেন ন্যূনতম করের জন্য সে স্থানই তাঁর অবস্থানস্থল বলে বিবেচিত হবে।
  • করদাতা অনিবাসী হলে বাংলাদেশে তিনি যে ঠিকানা ব্যবহার করেন সে ঠিকানাই তাঁর অবস্থানস্থল হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • করমুক্ত সীমার ঊর্ধ্বের আয় আছে এমন করদাতার প্রদেয় আয়করের পরিমাণ হিসাব অনুযায়ী তাঁর জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ অপেক্ষা কম হলে বা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত বিবেচনার পর প্রদেয়  আয়করের পরিমাণ প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়করের কম বা ঋণাত্মক হলেও তাঁকে তাঁর জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়কর পরিশোধ করতে হবে।