New Law-2012

Displaying 71-80 of 141 results.

৬৯। ঋণাত্মক নীট পরিমাণ অর্থ জের টানা ব্যতিরেকে ফেরৎ প্রদান।-

৬৯। ঋণাত্মক নীট পরিমাণ অর্থ জের টানা ব্যতিরেকে ফেরৎ প্রদান।-  (১) ধারা ৬৮ এর বিধানাবলী সত্তে¡ও, কোন নিবন্ধিত ব্যক্তির প্রদেয় অর্থের পরিমাণ ঋণাত্মক হইলে, তিনি উহা ফেরৎ পাওয়ার অধিকারী হইবেন, যদি কমিশনার নিশ্চিত হন যে,

(ক) উক্ত ব্যক্তির টার্নওভারের ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশ বা তদূর্ধ্ব তৃতীয় অধ্যায় এর অধীন শূন্যহার বিশিষ্ট সরবরাহ হইতে উদ্ভূত হয় বা হইবে;

(খ) উক্ত ব্যক্তির উপকরণ ব্যয়ের ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশ বা তদূর্ধ্ব আমদানি বা অর্জন তৃতীয় অধ্যায় এর অধীন শূন্য করহার বিশিষ্ট সরবরাহ প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়;

(গ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, কমিশনার যদি এই মর্মে নিশ্চিত হন যে, উক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রকৃতির ফলে (যে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ধারা ৬৮ এর উপ-ধারা (২) প্রযোজ্য নহে) নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত উপকরণ কর রেয়াতের উদ্ভব হয়।

(২) এই ধারার অধীন নির্ধারিত শর্ত ও পদ্ধতিতে অর্থ ফেরৎ লাভের জন্য আবেদন করা হইলে,

(ক) অর্থের পরিমাণ অনূর্ধ্ব ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা হইলে, উক্ত অর্থ পরবর্তী কর মেয়াদে হ্রাসকারী সমন্বয় হিসাবে জের টানিতে হইবে; বা

(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, আবেদনের তারিখ হইতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে কমিশনার উক্ত অর্থ ফেরৎ প্রদান করিবেন।

৭০। ফেরৎ প্রদত্ত অর্থের প্রয়োগ।-

৭০। ফেরৎ প্রদত্ত অর্থের প্রয়োগ।-  (১) ধারা ৬৮ বা ধারা ৬৯ এর অধীন কোন

ব্যক্তিকে অর্থ ফেরৎ প্রদান করা হইবে না, যদি না এবং যতক্ষণ না আবেদনকারী চলতি কর মেয়াদ পর্যন্ত সকল মূসক দাখিলপত্র পেশ করেন।

(২) কোন ব্যক্তির নিকট ফেরৎ দাবিকৃত অর্থ প্রদেয় হইলে, কমিশনার ফেরৎযোগ্য অর্থ হইতে প্রথমে এই আইনের অধীন উক্ত ব্যক্তির নিকট পাওনা বকেয়া করের দায়-দেনা (সুদ, দন্ড বা জরিমানাসহ) হ্রাস করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) প্রয়োগের পর, যদি কোন অর্থ অবশিষ্ট থাকে এবং উহার পরিমাণ অনূর্ধ্ব ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা হয়, তাহা হইলে কমিশনার উহা ফেরৎ প্রদান না করিয়া উক্ত অর্থ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত কোন কর মেয়াদে হ্রাসকারী সমন্বয় হিসাবে গণ্য করিবার লক্ষ্যে নিবন্ধিত ব্যক্তিকে অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।

৭১। কূটনৈতিক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত কর ফেরত প্রদান।-

৭১। কূটনৈতিক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত কর ফেরত প্রদান।- (১) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি-বিধানে উল্লিখিত সময়সীমা, শর্ত ও পদ্ধতিতে, কমিশনার নিম্নবর্ণিত সরবরাহের উপর প্রদত্ত কর ফেরত প্রদান করিতে পারিবেন, যথা:

(ক) আপাতত বাংলাদেশে বলবৎ কোন কনভেনশন বা অনুরূপ আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীন মূসক

হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সরবরাহ; বা

(খ) বাংলাদেশে অধিষ্ঠিত বিদেশী রাষ্ট্রের ক‚টনৈতিক বা কনস্যুলার মিশনের আনুষ্ঠানিক উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রদত্ত সরবরাহ।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যক্তির নিকট প্রদত্ত সরবরাহ অব্যাহতি প্রদান বা শূন্যহার বিশিষ্ট না করিয়া ফেরৎ প্রদানের মাধ্যমে কার্যকর করা হইবে।

৭২। অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সমন্বয় বা ফেরত প্রদান।-

যদি কোন ব্যক্তি কোন কর মেয়াদের দাখিলপত্রে প্রদর্শিত প্রদেয় করের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ কর পরিশোধ করেন, তাহা হইলে নির্ধারিত সময়সীমা, শর্ত ও পদ্ধতিতে উক্ত অর্থ ফেরত গ্রহণের জন্য আবেদন করা যাইবে বা পরবর্তী দাখিলপত্রে  হ্রাসকারী সমন্বয় সাধন করা যাইবে।

৭৩। কর নির্ধারণ।-

কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণ

৭৩। কর নির্ধারণ।- (১) কমিশনার নি¤œবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া তৎকর্তৃক প্রদেয় করের পরিমাণ নির্ধারণ করিতে পারিবেন, যথা:

(ক) যদি কমিশনার দাখিলপত্র পরীক্ষা করিয়া দাখিলপত্রের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট না হন বা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করেন যে,

(অ) কোন দাখিলপত্রে উক্ত ব্যক্তি উৎপাদ কর, সম্পূরক শুল্ক বা বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়ের বিষয়ে মিথ্যা ঘোষণা বা অসত্য বর্ণনা প্রদান করিয়াছেন, বা অনিয়মিতভাবে উপকরণ কর রেয়াত বা হ্রাসকারী সমন্বয় গ্রহণ করিয়াছেন; বা

(আ) টার্নওভার কর দাখিলপত্রে উক্ত ব্যক্তি কোন কর মেয়াদে তাহার টার্নওভার সম্পর্কে মিথ্যা ঘোষণা প্রদান করিয়াছেন;

(খ) যদি উক্ত ব্যক্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করিতে ব্যর্থ হন;

(গ) যদি উক্ত ব্যক্তি প্রদেয় কর পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন; বা

(ঘ) যদি উক্ত ব্যক্তি অর্থ ফেরত লাভের বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার অধিকারী না হওয়া সত্তে¡ও তাহার বরাবরে অর্থ ফেরত প্রদান বা প্রত্যর্পণ প্রদান করা হয়।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে, কমিশনার কোন ব্যক্তির কর নির্ধারণ বা সংশোধিত কর নির্ধারণ করিবার ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত ব্যক্তির উপর নোটিশ জারি করিবেন, যাহাতে অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যের সহিত নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি উল্লেখ থাকিবে, যথা:

(ক) কর নির্ধারণের কারণ, কর নির্ধারণের ফলে প্রদেয় করের পরিমাণ এবং যাহার ভিত্তিতে উক্ত পরিমাণ কর নির্ধারণ করা হইয়াছে উহার বিবরণ;

(খ) যে তারিখের মধ্যে কর প্রদান করিতে হইবে সেই তারিখ; তবে, উক্ত তারিখ নোটিশ জারির তারিখ হইতে কমপক্ষে ১৫ (পনের) কার্যদিবস পরে হইতে হইবে; এবং

(গ) কর নির্ধারণের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করিবার স্থান ও সময়।

(৩) কমিশনার কর মেয়াদ সমাপ্তির ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিককাল পরে উল্লিখিত কর মেয়াদের জন্য সংশোধিত কর নির্ধারণসহ কোন কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন না, যদি না-

(ক) নিবন্ধিত ব্যক্তি দাখিলপত্র পেশকরণে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা বা প্রতারণা করেন; কোন কর মেয়াদের জন্য দাখিলপত্র পেশ না করেন; বা কর মেয়াদে প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করিয়া অর্থ ফেরত প্রদানের জন্য আবেদন করেন; বা

(খ) নিবন্ধিত ব্যক্তি কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোন তথ্য গোপন করেন, বিকৃত করেন বা মিথ্যা তথ্য প্রদানপূর্বক কর চালানপত্র ইস্যু করেন বা উদ্দেশ্যমূলক ভাবে এই সকল বা অন্য কোন অপরাধ করেন; বা

(গ) আদালত বা আপীলাত ট্রাইব্যুনাল বা মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কার্যকরকরণের জন্য সংশোধিত কর নির্ধারণ প্রয়োজন হয়।

(৪) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে, এই ধারার কোন কিছুই কমিশনারকে কোন সুদ বা জরিমানা আরোপে ও আদায়ে বাধা সৃষ্টি করিবে না, যথা:

(ক) প্রদেয় মূসক, সম্পূরক শুল্ক বা টার্নওভার কর পরিশোধের মূল ধার্য তারিখ হইতে হিসাব করিবার ক্ষেত্রে; বা

(খ) কোন ব্যক্তি অর্থ ফেরত লাভের অধিকারী না হওয়া সত্তে¡ও, যদি তাহাকে কোন অর্থ ফেরত প্রদান করা হয় এবং উক্তরূপে ফেরত প্রদানকৃত অর্থ সমন্বয়ের নিমিত্ত কোন কর নির্ধারণের উদ্ভব হয়, তাহা হইলে যেই তারিখে উক্ত ব্যক্তিকে অর্থ ফেরত প্রদান করা হইয়াছিল, সেই তারিখ হইতে হিসাব করিবার ক্ষেত্রে।

৭৪। সরবরাহ গ্রহীতার মিথ্যা ঘোষণা।-

৭৪। সরবরাহ গ্রহীতার মিথ্যা ঘোষণা।- (১) সরবরাহ গ্রহীতা কর্তৃক প্রতারণামূলক মিথ্যা বর্ণনার কারণে, যদি কোন সরবরাহকারী ভুলবশতঃ করযোগ্য সরবরাহকে শূন্যহার বিশিষ্ট সরবরাহ বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত সরবরাহ গণ্য করেন, তাহা হইলে কমিশনার শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া বিলম্বে মূসক পরিশোধের ফলে প্রদেয় যেকোন সুদ বা জরিমানাসহ উক্ত সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রদেয় মূসক পরিশোধের লক্ষ্যে সরবরাহ গ্রহীতার বরাবরে কর ধার্য করিতে পারিবেন, এবং সরবরাহ গ্রহীতা নিবন্ধিত হউক বা না হউক

উক্তরূপ কর নির্ধারণ, গ্রহীতা কর্তৃক প্রদেয় মূসক নির্ধারণ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) কমিশনার সরবরাহ গ্রহীতা বরাবরে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি নিম্নবর্ণিত বিষয় উল্লেখ করিয়া কর নির্ধারণ নোটিশ প্রেরণ করিবেন, যথা:

(ক) কর নির্ধারণের কারণ;

(খ) কর নির্ধারণের ফলে প্রদেয় মূসকের পরিমাণ;

(গ) উক্ত মূসক প্রদেয় হইবার তারিখ; এবং

(ঘ) কর নির্ধারণের বিরুদ্ধে আপীল করিবার স্থান ও সময়।

(৩) উপ-ধারা (১) এর কোনকিছুই কমিশনারকে সরবরাহকারীর নিকট হইতে উক্ত সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রদেয় মূসক, সুদ বা জরিমানা আদায় করিতে বাধা সৃষ্টি করিবে না এবং তিনি সরবরাহকারীর নিকট হইতে প্রদেয় পরিমাণের অংশবিশেষ এবং গ্রহীতার নিকট হইতে অংশবিশেষ আদায় করিতে পারিবেন।

(৪) সরবরাহ গ্রহীতা কর্তৃক প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার কারণে, যদি কোন সরবরাহকারী কমিশনার বরাবরে মূসক, সুদ বা জরিমানা পরিশোধ করিয়া থাকেন, তাহা হইলে সরবরাহকারী উক্তরূপ সরবরাহের জন্য গ্রহীতার নিকট হইতে উক্ত পরিমাণ অর্থ আদায় করিতে পারিবেন।

৭৫। সরবরাহকারীর মিথ্যা বর্ণনা।-

৭৫। সরবরাহকারীর মিথ্যা বর্ণনা।- (১) যেক্ষেত্রে কোন অনিবন্ধিত ব্যক্তি কোন সরবরাহ গ্রহীতার নিকট পণ্য সরবরাহ করেন এবং কর চালানপত্র গণ্য করিয়া কোন মিথ্যা দলিল ইস্যু করেন, যাহা উক্ত সরবরাহকে একটি করযোগ্য সরবরাহ বলিয়া প্রতীয়মান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত সরবরাহ করযোগ্য সরবরাহ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি নিবন্ধিত হইয়া থাকিলে, সরবরাহের ক্ষেত্রে যেই হার প্রযোজ্য হইত সেই হারে কর আদায়যোগ্য হইবে:

তবে, শর্ত থাকে যে, যদি দলিলাদিতে উচ্চতর হার প্রদর্শিত বা অনুমিত হয়, তাহা হইলে উক্ত উচ্চতর হার প্রযোজ্য হইবে।

(২) কমিশনার উক্ত ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া, তাহাকে নিবন্ধিত ব্যক্তি এবং উক্ত সরবরাহকে করযোগ্য সরবরাহ বিবেচনা করিয়া কর নির্ধারণ করিবেন।

৭৬। কর সুবিধা প্রদান ও রদকরণ (negation)।-

৭৬। কর সুবিধা প্রদান ও রদকরণ (scheme) ।- (১) যদি কোন পরিকল্পের (negation)|- মাধ্যমে এই আইনের কোন বিধানের অপব্যবহার করিয়া, কোন ব্যক্তি কোন করসুবিধা গ্রহণ করেন বা গ্রহণ করিবার প্রত্যাশা করেন, যাহার একমাত্র বা প্রধান উদ্দেশ্য হইল কর সুবিধা লাভ; তাহা হইলে কমিশনার করদাতাকে শুনানি প্রদান করিয়া নির্ধারিত ক্ষেত্র ও পদ্ধতিতে এমনভাবে কর সুবিধার যথার্থতা নিরূপণ, নির্ধারণ, রদকরণ বা হ্রাসকরণের জন্য যুক্তিযুক্ত আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং এমনভাবে সুবিধা লাভকারী ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করিতে পারিবেন যেন বিশেষ প্রস্তাবটি গৃহীত হয় নাই বা কার্যকর হয় নাই।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন কার্যধারা, চুক্তি, বন্দোবস্ত, প্রতিশ্রুতিতে, পরিকল্পনা, প্রস্তাব বা কার্যক্রম প্রকাশ্য বা নিহীত বা আইনসঙ্গতভাবে বলবৎ যোগ্য হইক বা না হউক পরিকল্প (scheme)  এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

৭৭। কর নির্ধারণী নোটিশের গ্রহণযোগ্যতা।-

৭৭। কর নির্ধারণী নোটিশের গ্রহণযোগ্যতা।- (১) কর নির্ধারণ নোটিশের মূল বা সত্যায়িত কপি কার্যধারায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে এমনরূপে গ্রহণযোগ্য হইবে যেন উক্ত কর নির্ধারণ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হইয়াছে এবং কর নির্ধারণ সম্পর্কিত কার্যক্রম ব্যতীত, কর নির্ধারণের সকল বিষয় এবং নির্ধারিত করের পরিমাণ যথার্থ বিবেচিত হইবে।

(২) কোন কর যাহা নির্ধারণ করা হইয়াছে বা কার্যকর করা হইয়াছে, উহা আকার ও প্রকারগত কারণে রদ করা যাইবে না বা বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলিয়া গণ্য করা যাইবে না।

(৩) কোন কাজ না করা বা কোন ভুল-ক্রটির কারণে কোন কর নির্ধারণ ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রভাবিত হইবে না, যদি কর নির্ধারণ এই আইনের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং কর নির্ধারণের আওতাধীন ব্যক্তি বা যাহার উপর কর নির্ধারিত হইতে পারে তাহার নাম উক্ত নোটিশে সাধারণ ধারণা অনুযায়ী উল্লিখিত হয়।

৭৮। মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ এবং উহার কর্মকর্তা।-

মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ

৭৮। মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ এবং উহার কর্মকর্তা।- (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ থাকিবে যাহা বোর্ড, তদধীন এক বা একাধিক মূল্য সংযোজন কর দপ্তর এবং নিম্নবর্ণিত মূসক কর্মকর্তা সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) চীফ কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(খ) কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(গ) কমিশনার (আপীল), মূল্য সংযোজন কর;

(ঘ) কমিশনার (বৃহৎ করদাতা ইউনিট), মূল্য সংযোজন কর;

(ঙ) মহাপরিচালক, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল;

[(চচ) মহাপরিচালক, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি;]

[(ছ) অতিরিক্ত কমিশনার বা অতিরিক্ত মহাপরিচালক বা পরিচালক (সিআইসি), মূল্য সংযোজন কর;]

(জ) যুগ্ম কমিশনার বা পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঝ) উপ কমিশনার বা উপ-পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঞ)সহকারী কমিশনার বা সহকারী পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ট) রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর;

(ঠ) সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর; এবং

(ড) বোর্ড কর্তৃক নিয়োগকৃত অন্য কোন কর্মকর্তা।

(২) বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, মূসক কর্মকর্তাগণের নিয়োগ এবং আঞ্চলিক অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি-বিধানের আওতায় তাহাদের দায়িত্ব, কর্তব্য, ক্ষমতা ও কার্যাবলী সুনির্দিষ্ট করিতে পারিবে।

(৩) বোর্ড, সমগ্র দেশ বা বিশেষ কোন অঞ্চলের জন্য বা একটি বিশেষ শ্রেণীর করদাতার জন্য, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, এক বা একাধিক বৃহৎ করদাতা ইউনিট গঠন, উক্ত ইউনিটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মূসক কর্মকর্তা নিয়োগ এবং উক্ত ইউনিটের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

[(৪) বোর্ড, এই আইনের উদ্দেশ্যে পূরণকল্লে, কোন বিশেষায়িত কার্যক্রম (Special Function) সম্পন্নের লক্ষ্যে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা এক বা একাধকি বশিষোয়তি ইউনটি (Special Function Unit) গঠন, উক্ত ইউনিটে  প্রয়োজনীয় সংখ্যক মূসক কর্মকর্তা নিয়োগ এবং উক্ত ইউনিটে কর্মরতদের দায়িত্ব, কর্মপদ্ধতি ও ভাতা নির্ধারণ করিতে পারিবে


  অর্থ আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ১০ নং আইন ) এর ধারা ৮৪ এর ধারা (ক) দ্বারা প্রতিস্থাপিত   

অর্থ আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ১০ নং আইন ) এর ধারা ৮৪ এর ধারা (ক) দ্বারা প্রতিস্থাপিত   

অর্থ আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ১০ নং আইন ) এর ধারা ৮৪ এর ধারা (ক) দ্বারা প্রতিস্থাপিত