শিগগিরই কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করা হবে: অর্থমন্ত্রী

রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, শিগগিরই কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দফতরে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ইআরএফের সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলালের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কিছুদিন আগে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় বর্তমানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি। এ অবস্থায় কিছু ব্যাংক একীভূত করা প্রয়োজন। এর মধ্যেই পুলিশের জন্য একটি ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, আরও তিনটি নতুন ব্যাংক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'এ সময় নতুন ব্যাংক দেওয়ার কোনো দরকার ছিল না।' তা হলে দেওয়া হচ্ছে কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, পলিটিক্যাল গ্রাউন্ডে দেওয়া হচ্ছে। তবে শিগগিরই কিছু ব্যাংককে একীভূত করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

সাবেক এক মন্ত্রীকে ব্যাংক দেওয়ার অভিজ্ঞতা ভালো নয়, আরেক মন্ত্রীর আত্মীয় ব্যাংক পেতে যাচ্ছে কি-না— এমন প্রশের উত্তরে মুহিত বলেন, অনেক মন্ত্রী ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছেন। ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো একীভূত করা হবে। এ জন্য আইন ঠিকঠাক করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, 'আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় এলেই একীভূতের কাজ শুরু হবে। যদি অন্য কেউ আসে তাহলে তাদেরও ব্যাংক সংস্কারের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়ে যাবো।'

রাজনৈতিক বিবেচনায় আরও তিন ব্যাংক অনুমোদনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। যদিও এগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ গুলো হলো: বেঙ্গল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক এবং সিটিজেন ব্যাংক। এর আগেও রাজনৈতিক বিবেচনায় ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। ফলে বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮টি। রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ায় শুরু থেকেই সমালোচনা করে আসছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেকরা।

বিশ্ব ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত 'ডুয়িং বিজনেস' রিপোর্ট নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মুহিত বলেন, এটি দেশের জন্য খুবই লজ্জার বিষয়। মুহিত স্বীকার করেন, বাংলাদেশে ব্যবসা শুরুর দিকে নানা প্রতিবন্ধকতা কাজ করে। এর কারণ কী জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল সমস্যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। তবে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা পরিবেশ উন্নতির জন্য কাজ করছে। আগামীতে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।

Source (http://samakal.com/economics/article/181171/%E0%A6%95%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80)

 

About Author

Profile Picture

Golden Bangladesh

Golden Bangladesh is a point of access to information.We present information from diverse sources in a unified way. It is the leading web portal, e-Directory and business guide in Bangladesh.

Leave a Comment