Largest and fastest growing business Portals
Tweet
চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্য আনা-নেওয়ার কার্যক্রম শুরুর ১১৮তম বর্ষপূর্তি আজ।
পণ্য পরিবহনের লক্ষ্যে ১৮৯৫ সালের ঠিক এই দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে রেলওয়ের সংযোগ চালু করা হয়েছিল। তাও আবার পণ্য ওঠানো-নামানোর জেটি নির্মাণেরও তিন বছর আট মাস আগের কথা। অথচ সুদীর্ঘ এই সময়েও রেলের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের হার বাড়েনি। নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী হলেও তা এখন মাত্র ১ শতাংশে এসে ঠেকেছে!
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৮৯৫ সালের ৩ নভেম্বর বন্দরের সঙ্গে চট্টগ্রাম স্টেশনের রেল যোগাযোগ চালু করে তৎকালীন আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে। সিলেট ও আসাম প্রদেশের চা-ব্যবসায়ীদের অনুরোধে এ রেললাইন চালু হয়। এরপর বন্দর থেকে রেলের অনেক নতুন নতুন গন্তব্য যোগ হয়। এখনো বন্দরের সিংহভাগ জেটি ও শেডের সঙ্গে যুক্ত থাকা রেললাইন পুরোনো সেই ঐতিহ্যকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
রেলওয়ে ও বন্দরের কর্মকর্তারা এবং ব্যবসায়ীরা জানান, গত শতকের আশির দশক পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনে রেলপথই ছিল প্রধান মাধ্যম। এরই মধ্যে সড়কপথের উন্নতি ও নৌপথে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধি পাওয়ায় রেল গৌণ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকারি আমদানির পণ্য ও জ্বালানি তেল এবং বেসরকারি খাতের শুধু কনটেইনারই পরিবহন হচ্ছে।
তবে ব্যবসায়ীদের রেলকে এড়িয়ে চলার কারণও রয়েছে। যেমন—পণ্যবাহী কনটেইনার রেলে তুলতে যেখানে এক-দুই সপ্তাহ সময় লেগে যায়, সেখানে সড়কপথে এক-দুই দিনের মধ্যেই বন্দর থেকে কারখানায় পণ্য নেওয়া যায়। তাই খরচ বেশি হলেও সড়কপথে পণ্য পরিবহনে ব্যবসায়ীদের ঝোঁক বেশি।
পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক বেলাল উদ্দিন মনে করেন, সড়কপথের ব্যাপক উন্নতি, নৌপথে কম খরচে দূর-দূরান্তে পণ্য পরিবহনের সুবিধা বৃদ্ধি এবং রেলওয়েরও যাত্রী পরিবহনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই মূলত রেলে পণ্য পরিবহন কমেছে।
বন্দরের হিসাবমতে, গত ২০১২-১৩ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট চার কোটি ৩৩ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়। এর মাত্র এক শতাংশের সামান্য বেশি বা চার লাখ ৫৭ হাজার টন পরিবহন হয় রেলপথে।
http://www.prothom-alo.com/economy/article/63868
Golden Bangladesh is a point of access to information.We present information from diverse sources in a unified way. It is the leading web portal, e-Directory and business guide in Bangladesh.
Leave a Comment